বঙ্গ সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। দুর্গাপুরের নেহেরু স্টেডিয়ামে তার সভা। ২০২৬ এ বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা অনেকটাই তাৎপর্যপূর্ণ রাজনৈতিক ক্ষেত্রে। মোদীর বার্তা বঙ্গ বিজেপিকে আরও মনোবল যোগাবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এদিকে তার সবার শুরু হওয়ার আগে থেকে গেরুয়া শিবিরে ছিল সাজ সাজ রব। জল্পনা তৈরি হয়েছিল, বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ কি প্রধানমন্ত্রীর সভায় উপস্থিত হবেন? জানা যায় শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদল করেন বিজেপি নেতা। তিনি নাকি শুক্রবারের প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় উপস্থিত হতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন। যা ঘিরে নয়া জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকে আবার প্রশ্ন তুলছেন, তবে কি ২১ জুলাইয়ের তৃণমূলের মহা সমাবেশের মঞ্চে দেখা যাবে তাকে?
সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, দলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে দিলীপ ঘোষের। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সভাতে উপস্থিত থাকতে দেখা যায়নি দিলীপ ঘোষকে। অনেকে বলেছিলেন, তবে কি অভিমানী দিলীপ ঘোষ? এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্বোধন করা দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে গিয়েছেন তৃণমূলের আমন্ত্রণ রক্ষা করতে। ফলে জল্পনা আগেই তৈরি হয়েছিল। এবার ফের সেটা তীব্র আকার ধারণ করল। শুক্রবারে দুর্গাপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভাতে উপস্থিত হলেন না দিলীপ ঘোষ। তার নাকি গুরুত্বপূর্ণ কাজ পড়ে গিয়েছে। ইদানিং বিজেপির কোনও সভাতেই তাকে দেখা যাচ্ছে না। এই নিয়ে অবশ্য ক্ষোভও প্রকাশ করেছিলেন প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তবে ১৮ জুলাই শুক্রবারের প্রধানমন্ত্রীর সভার আমন্ত্রণ পৌঁছে গিয়েছিল বিজেপি নেতার কাছে। কিন্তু তারপরও তাকে দেখা গেল না। আগে অবশ্য তিনি জানিয়েছিলেন, সাধারণ কর্মীদের মতনই তিনি সে সবাই হাজির হবেন এবং মঞ্চে না উঠে প্রত্যেকের সঙ্গে তিনি মোদীর ভাষণ শুনবেন। কিন্তু হঠাৎ গুরুত্বপূর্ণ কাজ পড়ে যাওয়ায় তিনি নাকি উপস্থিত হতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন। এদিকে আর কিছুদিন পর তৃণমূলের মহা সমাবেশ ২১ জুলাই। জল্পনা তৈরি হয়েছে, তাকে কি ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে উপস্থিত হতে দেখা যাবে? নতুন কোনও চমক আসতে চলেছে রাজ্য রাজনীতিতে? উঠে আসছে এমন প্রশ্ন। তবে আদেও তৃণমূলে যোগ দেবেন কিনা দিলীপ ঘোষ, সেটা নিয়ে মুখ খোলেননি প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি।












Discussion about this post