ভ্রমণপ্রিয় বাঙালির প্রথম পছন্দ গুলির মধ্যে অন্যতম পুরী। জগন্নাথ মন্দির সহ পুরীর সমুদ্র সৈকতের টানে পুরীতে ভিড় জমান পর্যটকেরা। এবার এই পুরীতে গিয়ে দুর্ঘটনার কবলে সস্ত্রীক সিএবির সভাপতি স্নেহাশীষ গঙ্গোপাধ্যায়। অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন স্নেহাশিস ও তার স্ত্রী অর্পিতা। এই ঘটনা প্রসঙ্গে ভয়ংকর অভিজ্ঞতা সামনে আনলেন অর্পিতা গঙ্গোপাধ্যায়।
স্পিড বোট দুর্ঘটনায় বেশ চিন্তিত স্নেহাশিসপত্নী অর্পিতা, তিনি বলেন, “সমুদ্রে বেশ ঢেউ ছিল ৷ বিপদ সত্ত্বেও কিছু টাকার লোভে স্পিড বোটের কর্মীরা আমাদের সমুদ্রে নিয়ে যায়। নৌকাটি পুরো আমাদের শরীরের উপরে ছিল। পরবর্তীতে যখন আমরা জিজ্ঞাসা করি তাঁদের লাইসেন্স আছে কি না, তখন স্পষ্টভাবে কিছুই বলতে পারেনি। দুর্ঘটনার প্রসঙ্গে কি বললেন অর্পিতা গঙ্গোপাধ্যায় শুনুন,
স্নেহাশিসের স্ত্রী এই দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতার সম্পর্কে বলেন, ‘আমি জীবনে এত বড় ঢেউ দেখিনি৷ অন্তত দশতলা উঁচু একটা ঢেউ আসতেই স্পিডবোটটি আমাদের নিয়ে উল্টে গেল। আতঙ্কিত অর্পিতার দাবী, পুরীর সমুদ্রে এই ধরনের ওয়াটার স্পোর্টস বা প্রমোদতরী চালু রাখা পর্যটকদের জন্য একেবারেই নিরাপদ নয়৷ বিষয়টি নিয়ে তিনি ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও লিখবেন তিনি৷দুর্ঘটনা পরবর্তী অভিজ্ঞতা সম্পর্কে আরো কি জানালেন স্নেহাশীষ পত্নী অর্পিতা শুনুন,,
ইতিমধ্যেই দুর্ঘটনার যে ভিডিয়ো প্রকাশ্য এসেছে তাতে স্পষ্টদেখা যাচ্ছে, নৌকাটি সমুদ্রের জলে উল্টে গিয়েছে ৷ বোট উল্টে যাওয়ার পরে সমুদ্রের ধারে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা উদ্ধার করেন অপির্তা গঙ্গোপাধ্যায় কে। সমুদ্র তীরে উঠে আতঙ্কে কাঁদতে শুরু করেন তিনি ৷ যদিও জানা গিয়েছে, নৌকাটিতে থাকা সকলকেই উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় পর্যটকদের বিনোদনের জন্য থাকা ওই ফেরি পরিষেবা ব্যবস্থাকেই দায়ী করেছেন অর্পিতা।
উল্লেখ্য,পুরীতে ছুটি কাটাতে গিয়ে সমুদ্রে প্রায় ডুবে যেতে বসেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের দাদা-বউদি ৷ রবিবার পুরীর সমুদ্র সৈকতের লাইটহাউসের কাছে হোটেল সোনার বাংলার সামনের দুর্ঘটনার মুখে পড়েন সস্ত্রীক স্নেহাশিস ৷ এরপর থেকেই আতঙ্কে স্নেহাশীষপত্নী অর্পিতা, পাশাপাশি প্রশাসনের কাছেও দ্রুত সমস্যা সমাধানের দাবি তাদের।












Discussion about this post