বাংলাদেশ চালাতে কতটা ব্যর্থ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূস, সেটা বিভিন্ন সময় সামনে এসেছে। এমনকি এই সরকার গঠন হওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ আন্দোলন তৈরি হয়েছে দেশের নানা প্রান্তে। কোথাও কোথাও আবার সেনা শাসন জারি হবার পোস্টার পরে। কিন্তু তারপরও টনক নরেনি তদারকি সরকারের। বরং দিনের পর দিন ছাত্র নেতাদের কথায় শুনে এসেছেন প্রধান উপদেষ্টা। মেনে নেওয়া হয়েছে তাদের একাধিক অন্যায্য দাবি। ফের অস্বস্তিতে মোহম্মদ ইউনূস। এবার নতুন এক বিক্ষোভ বাংলাদেশের অন্দরে। কালা আইন আনার অভিযোগ করছেন সরকারি কর্মচারীরা। সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভে উত্তাল বাংলাদেশ। টানা চার দিন ধরে সরকারি সচিবালয়ের ভিতরে বিক্ষোভ করছে বিভিন্ন দফতরের কর্মচারীরা। মঙ্গলবারও সেই কর্মসূচি চলছে। জানা যাচ্ছে, সচিবালয়ের ভিতর কর্মচারী ছাড়া কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। গেটে মোতায়ন করা হয়েছে বিজিবিকে। প্রশ্ন উঠছে, কেন সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নামলেন সরকারি কর্মচারীরা? কি দাবি তাদের? জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার একটি সিদ্ধান্ত ঘিরেই উত্তাল পরিস্থিতি। সম্প্রতি শেখ হাসিনার আমলের সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮.. এটি নাকি সংশোধিত করা হয়েছে ইউনূসের সরকারের আমলে। গত বৃহস্পতিবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মন্ডলীর বৈঠক হয়। সেই বৈঠকে সরকারি আইন সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। জানা গিয়েছে, সরকারি আইন সংক্রান্ত আইনের সংশোধিত অর্ডিন্যান্স এর খসড়া অনুমোদিত হয় উপদেষ্টা মন্ডলীর ওই বৈঠকে। আর সেই খবর চাউর হতেই ক্ষুব্ধ সরকারি কর্মচারীরা। তারা প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করেন। এই বিষয়ে কি বলছেন বিক্ষোভকারীরা শুনুন
কিন্তু কি রয়েছে এই নয়া অডিনেন্সে? জানা গিয়েছে, নয়া সংশোধিত আইন অনুযায়ী, যদি কোন সরকারি কর্মচারী এমন কোন আচরণ বা কার্যকলাপ করেন, যেটা সরকার বা প্রশাসনের আনুগত্যের পরিপন্থী, তবে সেই সরকারি কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হবে। শুধু তাই নয়, এমনকি যুক্তিযুক্ত কারণ ছাড়া ছুটি নিলে বাড়ি ক্ষেত্রে সহকর্মীকে প্ররোচনা দিলে সেই সরকারি কর্মচারী চাকরি চলে যেতে পারে। এই অভিযোগ ওঠার পর সাত দিনের মধ্যে নোটিশ দেওয়া হবে সেই কর্মীকে। তাতে ওই কর্মচারী দোষী সাব্যস্ত হলে, তাকে শাস্তি পেতে হবে। শাস্তি হলে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতের দারস্ত হতে পারবেন ওই কর্মচারী। তবে রাষ্ট্রপতির আদেশের বিরুদ্ধে কোনরকম আদালতে আপিল করা যাবে না। আর এই সংশোধিত আইনকেই কালা আইন বলে অভিহিত করে রাস্তায় নেমেছেন সরকারি কর্মচারীরা। তাদের স্পষ্ট দাবি, এই আইন প্রত্যাহার করতে হবে। যদিও ইউনুস সরকার এখনোও পর্যন্ত আন্দোলনকারী সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বড়সড়ো কোন পদক্ষেপ করেননি। জানা যায় এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশে 15 লক্ষ সরকারি কর্মচারী রয়েছে। বাংলাদেশের সাবেক সচিবরাও সরব হয়েছেন ইউনূসের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের সাবেক সচিব অর্থাৎ বৈষম্য বিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরামের সভাপতি এবিএম আব্দুস সাত্তার কি বলেছেন শুনুন
সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ অসস্তিতে পড়েছেন মোহাম্মদ ইউনূস। এর পরবর্তীতে এখন কি করেন সেটাই দেখার।












Discussion about this post