বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে যেমন উত্তাল হয়ে রয়েছে সে দেশ, তেমনভাবেই উদ্বিগ্ন এই দেশও। মঙ্গলবার বাংলাদেশের ইস্যু তুলে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হল সংসদে। সংসদে সওয়াল করেন সাংসদরা। এদিকে বারবার বাংলাদেশে সনাতনীদের উপর হওয়া অত্যাচার নিয়ে পথে নেমেছে বঙ্গ বিজেপি। সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারিতে বারবার বিক্ষোভ করেছেন তারা। পাশাপাশি দাবি করেন, নিঃশর্তভাবে তাদের মুক্তি দিতে হবে। অবশ্য এই নিয়ে বাংলার সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশের ইস্যুতে কেন্দ্র যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, সেই পথেই হাঁটবে। মঙ্গলবার এই ইস্যুতে কেন্দ্র করে উত্তাল পরিস্থিতি তৈরি হয় সংসদে। কারণ কেন্দ্র সরকারের দিকে বারবার বল ঠেলে দিচ্ছে বাংলার সরকার। অন্যদিকে, অনুপ্রবেশ নিয়ে বাংলার শাসকদলকে বিঁধেছেন বিজেপি সাংসদরা। যা নিয়ে কার্যত শোরগোল পড়ে যায়।
রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার এই নিয়ে সরব হন। তিনি কার্যত প্রশ্ন তোলেন, বাঙালি হিন্দু হওয়া কি অপরাধ? বাংলাদেশের পরিস্থিতি একেবারেই নিন্দাজনক। যেভাবে সনাতনী হিন্দুদের বেছে বেছে তাদের উপর হামলা চালানো হচ্ছে তা একেবারেই কাম্য নয়। পাশাপাশি তিনি বলেন অনুপ্রবেশ হচ্ছে সীমান্তে। তা আটকানো উচিত। অনুপ্রবেশ হলে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। সরকারি মদতেই এগুলি হচ্ছে বলে তিনি অবিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, অনুপ্রবেশ ঘটছে বলেই মুর্শিদাবাদ, মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এলাকাগুলিতে জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। আর সেটা হচ্ছে সরকারি মদতে।
এদিকে শাসকদল বরাবর অনুপ্রবেশ নিয়ে বিএসএফ অর্থাৎ কেন্দ্রের দিকেই আঙুল তুলেছে। এদিকে তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাষ্ট্রপুঞ্জের কাছে শান্তিবাহিনী পাঠানোর আবেদন করুক কেন্দ্র। কার্যত প্রশ্ন, পাল্টা প্রশ্ন, আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণে উত্তাল হল সংসদ।












Discussion about this post