ভারতের প্রত্যাঘাত সহ্য করতে পারছে না পাকিস্তান। ভারতের অস্ত্র ভান্ডার থেকে শক্তিশালী যুদ্ধাস্ত্র, মিসাইল, ড্রোন, অ্যান্টি মিসাইল সিস্টেম পাকিস্থানের দিকে ধাবিত হতেই কাঁপছে পাকিস্তান। ছারখার পাকিস্তানের একাধিক শহর। এই পরিস্থিতিতে এঁটে উঠতে না পেরে সীমান্তবর্তী এলাকাতে নিরীহ ভারতীয়দের নিশানা করছে পাকিস্তানের সেনা। ‘অপারেশন সিঁদুরে’র পর উরি, পুঞ্চ, আখ্ণুর, বড়মুলা এবং লাগিয়া গ্রামগুলিতে লাগাতার গোলাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। ইতিমধ্যেই খবর রয়েছে, মহিলা শিশু সহ মোট ১৬জন ভারতীয়র মৃত্যু হয়েছে। এমনকি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মসজিদ মন্দির গুরুদ্বার।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে ভারত তো বাংলাদেশের ঘাঁটি করে থাকা জঙ্গিদের বেছে বেছে লক্ষ্য করে টার্গেট করেছিল। যে কাজ পাকিস্তান সরকারের করা উচিত ছিল, সেই কাজ দায়িত্ব নিয়ে করেছে ভারতীয় সেনা। তারপরও কেন জ্বলছে পাকিস্তানের? জঙ্গিদের মারতেই এতটাই তারা এতটা হতাশ হয়েছে, যে নিরীহ ভারতীয়দের ওপর টার্গেট করছে পাক সেনা। জানা যাচ্ছে, বুধবার শিশু ও মহিলাদের মৃত্যু হয়েছে। এমনকি বৃহস্পতিবার উরিতে প্রাণ গিয়েছে এক মহিলার।
বুধবারই মৃত্য়ু হয়েছিল ১৬ জনের। তাদের মধ্যে রয়েছে ৫ শিশু ও ৩ জন মহিলা। আহত হয়েছে আরও একজন। জানা গিয়েছে। পাক সেনার গোলা আছড়ে পড়েছে পুঞ্চের গীতা ভবনে। ছাদ ফুটো হয়ে যায়। গীতা ভবনের কাছেই রয়েছে পুঞ্চ শহরের এই গুরদ্বার। সেখানেও গোলা আছড়ে পড়েছে।
পাকিস্তান ভারতীয় সেনাদের সঙ্গে পেরে উঠতে না পেরে ১৫ টি সেনা ঘাঁটিতে লক্ষ্য করে। কিন্তু সব চেষ্টাই শেষ হয় মধ্য আকাশে। শেষ করে দেয় S-400 ডিফেন্স সিস্টেম। এমনকি থেকে থাকেনি ভারত। পাল্টা ভারত ড্রোন হামলা চালায়। শেষ হয়ে যায়, চিন থেকে আনা লাহোরের আকাশ প্রতিরক্ষা সিস্টেম। পাশাপাশি ভারতে ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাওয়ালপিণ্ডিতে। এমনকি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে করাচি, গুজরানওয়ালা, ঘোটকি সহ একাধিক এলাকায়। অর্থাৎ পাকিস্তান ভারতকে টক্কর দিতে না পেরে সাধারণ মানুষের উপর হামলা চালাচ্ছে। অন্যদিকে বৃহস্পতিবার সর্বদলীয় বৈঠকে রাজনাথ সিং জানান,
‘অপারেশন সিঁদুরে’ মৃত্যু হয়েছে ১০০ এর বেশি জঙ্গির । পাশাপাশি কংগ্রেস, তৃণমূল-সহ সব বিরোধী দলই দেশের প্রশ্নে এককাট্টা হয়েছে। সরকারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে প্রত্যেকে।
শুধু তাই নয়, গোটা দেশকেই কিভাবে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলতে হবে সেটারও ছক কষা হয় ভারতের তরফে। স্পর্শকাতর এলাকা গুলিতে হাই এলার্ট জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভারতের সুদর্শন চক্র খবরের শিরোনামে এসেছে ভারত পাকিস্তান সংঘাতে। খবর পাওয়া যাচ্ছে, চারটে জায়গাতে এই সিস্টেম মোতায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে , জম্মু ও কাশ্মীর পাঞ্জাব, রাজস্থান গুজরাট, পাঠানকোট।












Discussion about this post