অতীতে তিন তিনবার হারার পরও শিক্ষা হয়নি পাকিস্তানের। ফের ভারতের দিকে হাত বাড়িয়েছে। অবশ্য ভারতের দিকে চোখ তুলতেই গোটা পাকিস্তানকে অন্ধ করে দিল ভারত। ‘অপারেশন সিঁদুর’ এ ক্ষত বিক্ষত হতেই বৃহস্পতিবার রাতে উস্কানি দেয় পাকিস্তান। পাল্টা আক্রমণ শানায় ভারত। জম্মু সহ পঞ্জাবের সীমান্তবর্তী কিছু এলাকায় এবং রাজস্থানের জয়শলমিরে পাকিস্তান পর পর হামলা চালায় বলে খবর। এমনকি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে পাকিস্তান। যদিও পাকিস্তানের ড্রোন, এফ ১৬ যুদ্ধবিমান গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় সেনা। তারপরই প্রত্যাঘাত পাল্টা প্রত্যাঘাত শুরু হয়। পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি, পাকিস্তানের ১০টি শহরে ড্রোন হামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে লাহোরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর পর কেঁপে ওঠে করাচি। লাহোর, রাওয়ালপিণ্ডি সহ পাকিস্তানের ১৬টি শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। কার্যত ধ্বংসস্তূপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাশাপাশি শেখপুরা, নারওয়াল, কসুর, বাহাওয়ালনগর, উমরকোট, সিয়ালকোট, ঘটকি, চকওয়াল, গ্যারিসন, গুজরানওয়ালা তে বিস্ফোরণ হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পাকিস্তান শুধু হামলা চালিয়ে ভারতকে উষ্কায়নি…রীতিমতো পাক জঙ্গি ঢোকাতে চেষ্টা করে। জানা যায়, সাম্বা সেক্টরে রাতে সীমান্ত পেরিয়ে ভারত প্রবেশের চেষ্টা করে ১২ পাকিস্তানি জঙ্গি । বিএসএফের গুলিতে নিহত হয় ৭ জইশ জঙ্গি। পাকিস্তানের সঙ্গে লড়তে বড় অস্ত্র এখন S400 এয়ার ডিফেন্স সিসটেম। যেটি ৬০০ কিলোমিটার দূরে থাকা বস্তুকে লক্ষ্য করে ধ্বংস করে। অন্যদিকে খবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, মুখ থুবড়ে পড়েছে পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। চীন থেকে পাওয়া এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম HQ-9 মিসাইল লঞ্চার পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাটিতে মিশিয়ে দিয়েছে ভারত।
২২ এপ্রিল কাশ্মীরের পহেল গাঁওয়ে জঙ্গিরা যেভাবে বেছে বেছে ২৬ জন পর্যটককে খুন করেছে, তারই পাল্টা প্রত্যাঘাত শুরু করে দিয়েছে ভারত। প্রথমে মঙ্গলবার মধ্যরাতে অপারেশন সিঁদুরের মাধ্যমে কাশ্মীর ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নটি জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে দিয়েছে ভারতীয় সেনা এবং বায়ু সেনা। সূত্রের খবর। যেখানে মৃত্যু হয়েছে ৭০ জন জঙ্গি। তার মধ্যে জঙ্গি নেতা মাসুদ আজহার এর পরিবারের ১০ জন সদস্য ও ৪ জন সহযোগী ছিল। এখন দেখার, পাকিস্তান যুদ্ধের জন্য ভারতকে যেভাবে উস্কানি দিল, তাতে এবার তারা পেরে উঠতে পারে কিনা।












Discussion about this post