প্রতিবেশী দেশে অস্থির পরিস্থিতি। অশান্তির আঁচ ছড়িয়ে পড়ছে এপার বাংলাতেও। বাংলাদেশি মৌলবাদীরা হুমকি দিচ্ছে বাংলা-বিহার-ওড়িশা দখলের। কখনও আবার চারদিনেই কলকাতা দখল বা সেভেন সিস্টার্স কেড়ে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু ভারতও তো বিদেশ। আর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তো বিদেশ যেতেই বারণ করছে। জানা যাচ্ছে, চিন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পরিকল্পনা করছে ইউনূস সরকার। এবার একেবারে গুপ্তচরবৃত্তি শুরু করল বাংলাদেশ। সূত্রের খবর বলছে, সীমান্তে গুপ্তচর ড্রোন মোতায়েন করেছে ইউনূসের দেশ। গোপনে গতিবিধি লক্ষ্য করা হচ্ছে ভারতের। আর এই খবর মিলতেই কড়া অ্যালার্ট জারি হয়েছে দেশে। প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর ক্রমাগত হামলার ঘটনায় ভারতে ক্ষোভ বাড়ছে। সম্প্রতি, অনেক রাজ্যের হাসপাতাল ও হোটেলে বাংলাদেশিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করার খবর এসেছে, তাই এখন চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ও সেখানকার সরকারকে সরাসরি ধাক্কা দিতে দাঁড়িয়েছে এবং একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। CTI এর মতে, এটাই সময় বাংলাদেশের হিন্দুদের পাশে দাঁড়ানোর। এই জটিল পরিস্থিতির মাঝেই কেন্দ্রের বড় পদক্ষেপ। ভারতীয় সেনার শক্তি বাড়াতে ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ করতে চলেছে সরকার। ভারতীয় বায়ুসেনার ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ১২টি সু-৩০ এমকেআই ফাইটার জেট এবং ১০০টি কে-৯ বজ্র সেল্ফ প্রপেলড হাউৎজ়ার কিনছে কেন্দ্র। ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির তরফে এর জন্য দুটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যাতে খরচ হবে ২০ হাজার কোটি টাকা। সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই এই দুই প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর হয়ে গিয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আনুমানিক ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা খরচ হতে পারে। এই যুদ্ধবিমানের ৬২.৬ শতাংশই নাসিকে তৈরি হবে। অন্যদিকে, ১০০টি সেল্ফ প্রপেলড হাউৎজার তৈরি হবে গুজরাটে। লারসেন অ্যান্ড ট্রুব্রো এর বরাত পেয়েছে। এই হাইৎজার গানের ওজন ৫০ টন। ৪৩ কিলোমিটার দূরত্ব থেকে ৪৭ কেজি বোমা ছুড়তে পারে। বিএসএফ সূত্রের দাবি, এই আকাশযানগুলির মধ্যে একটির নম্বর টিবিটুআর১০৭১। বাংলাদেশের তেজগাঁও বিমানঘাঁটি থেকে সেটি ওড়ানো হচ্ছিল। বিএসএফ জানিয়েছে, ভারতীয় বিমানবাহিনী ড্রোনটিকে চিহ্নিত করতে পেরেছে। এই ড্রোনগুলি এত উঁচুতে উড়তে পারে যে, সচরাচর খালি চোখে ধরা যায় না। মেঘালয়ের ডিজিপি আই নঙরাঙ জানান, তিনি বিষয়টি নিয়ে বিএসএফ এবং বিমানবাহিনীর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিএসএফের বক্তব্য, ভারতীয় বিমানবাহিনীই বিষয়টি বাংলাদেশের নজরে আনতে পারে। সাধারণ ড্রোনের মতো নিচু দিয়ে ওড়ানো হলে তাঁরা এ নিয়ে কথা বলতে পারতেন। তবু ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা মেঘালয়ের ৪৪৩ কিলোমিটার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে বলে এক বিএসএফ কর্তার দাবি।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post