ঢাকায় পৌঁছে গিয়েছিল ভারতের RAWএর চারটি অ্যাসেট। সেখানে গিয়ে তারা নিজেদের বিভিন্ন কর্মকান্ড শেষ করে আবার দেশে ফিরে এসেছেন। এই সরফটি ছিল মূলত চার দিনের। কিন্তু Raw এর অ্যাসেট ঢাকায় পৌঁছানোর কোন খবর সে দেশের অন্তরবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে ছিল না। এমনকি তারা সেখানে গিয়ে কোন কোন আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেছেন সেই খবরও এখনো পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসেনি। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে তবে কি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতেই ঢাকায় পৌঁছে গিয়েছিলেন Raw এর অ্যাসেট?
জানা যাচ্ছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পরিকল্পনা যখন জোরালো হচ্ছে তখনই Raw এর অ্যাসেট তৎপরতার সঙ্গে ঢাকায় পৌঁছে গিয়ে শেখ হাসিনার নিরাপদ বাসস্থানের জন্য আলোচনা করলেন সে দেশের অ্যাসেটের সঙ্গে। দুই পক্ষের মধ্যে কথাবার্তার মাধ্যমে স্থির করা হচ্ছে কোথায় শেখ হাসিনার বাসস্থান হতে চলেছে কতটা পরিমাণ জায়গার মধ্যে তিনি থাকবেন সেই সমস্ত বিষয়বস্তু। যদিও শেখ হাসিনার বাসস্থানের দায়িত্ব নিতে চলেছে ভারত।
এখন প্রশ্ন উঠছে এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের শেখ হাসিনা ফিরতে পারবে কি? আবার ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এর মস্তিষ্কে কি পরিকল্পনা চলছে সেই নিয়েও চলছে নানা জল্পনা, কারণ অজিত ডোভালের পক্ষে এই ধরনের বিষয়ে সমাধান করা একেবারেই অসম্ভব নয়।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি RAW এর চার অ্যাসেট ঢাকায় পৌঁছে একটি পাঁচ তারা হোটেলে থেকে নিজেদের কাজকর্ম সেরে নিয়েছেন। যদিও raw এর চারদিনের এই গোপন কর্মকান্ডের কোনও খবর সেদেশের অন্তরবর্তী সরকারের উপদেষ্টা মন্ডলীর কাছে কারণ এখানের সমস্ত মিশনারি গুলিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মিশনারিই কাজ করছে ফলে, তারা এখন দিন গুনছে কবে হাসিনা দেশে ফিরে একটি সুষ্ঠ ব্যবস্থা করবেন, ভারতই বলছে এই কথা। হাসিনা চাইলেই দেশে ফিরে সংসদ ভেঙে নির্বাচনের দিকে এগোতে পারে তাতে ভারতেরও কোনও হস্তক্ষেপের প্রয়োনজন হবেনা। যদিও এই বিষয়টি দেশি বিদেশী সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তাই এখন ইনক্লুসিভ ইলেকশন এর দিকেই এগোতে চাইছে সেদেশের সেনা বাহিনীও। একমাত্র ইনক্লুসিভ ইলেকশন এর মাধ্যমেই শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আওয়ামীলীগ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে। এই সুষ্ঠ অবাধ নির্বাচনের জন্য সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু হয়ে গিয়েছে বাংলাদেশ জুড়ে।












Discussion about this post