প্রতিবেশী দেশে অস্থির পরিস্থিতি। অশান্তির আঁচ ছড়িয়ে পড়ছে এপার বাংলাতেও। বাংলাদেশি মৌলবাদীরা হুমকি দিচ্ছে বাংলা-বিহার-ওড়িশা দখলের। কখনও আবার চারদিনেই কলকাতা দখল বা সেভেন সিস্টার্স কেড়ে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। কিন্তু ভারতও তো বিদেশ। আর বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার তো বিদেশ যেতেই বারণ করছে। জানা যাচ্ছে, চিন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পরিকল্পনা করছে ইউনূস সরকার। এবার একেবারে গুপ্তচরবৃত্তি শুরু করল বাংলাদেশ। সূত্রের খবর বলছে, সীমান্তে গুপ্তচর ড্রোন মোতায়েন করেছে ইউনূসের দেশ। গোপনে গতিবিধি লক্ষ্য করা হচ্ছে ভারতের। আর এই খবর মিলতেই কড়া অ্যালার্ট জারি হয়েছে দেশে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গে ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চলে গুপ্তচর ড্রোন মোতায়েন করেছে প্রতিবেশী দেশ। বায়রাক্তার টিবি২ নামের এই ড্রোন তুরস্ক থেকে নিয়ে আসা হয়েছে বলে খবর। সীমান্তে ড্রোন মোতায়েন করার বিষয়টি স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের তরফেও। তাদের অবশ্য সাফাই, দেশের নিরাপত্তার কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ তুরস্কের তৈরি বায়রাক্তার টিবি২ ড্রোন পশ্চিমবঙ্গ সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় কাজে বহাল করেছে। সেই খবর খতিয়ে দেখছে ভারত। যদিও বাংলাদেশের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতিরক্ষার জন্যই এই ড্রোন কাজে লাগানো হয়েছে। যদিও এমন স্পর্শকাতর এলাকায় এমন ড্রোন কাজে লাগানোর কৌশলগত গুরুত্বের দিকটি নিয়েও ভাবছে ভারত। হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারতের সীমান্তের আশপাশে ভারত বিরোধীদের সংখ্যা ও তৎপরতা বেড়েছে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং উন্নত ড্রোন মোতায়েনের কারণে সীমান্তে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশের ক্ষমতা সামলাচ্ছেন চার মাস হলো অন্তর্বর্তী সরকারের। বিগত চারমাসে প্রমাণ হয়ে গিয়েছে, ইউনুসের একমাত্র যোগ্যতা তিনি মনেপ্রাণে আওয়ামী লিগ ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী। এমন সব অদূরদর্শী ব্যবস্থার কারণে ইউনুস এবং তার উপদেষ্টারা বাংলাদেশকে ক্রমবর্ধমান বিশৃঙ্খলার দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। দেশে ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে, এই অসাংবিধানিক সরকারের মেয়াদ কতদিন? জামায়াতে ইসলামি চায় ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকার হাসিনার নির্বাচিত সরকারের বাকি মেয়াদ শেষ করুক। তারা নিঃশব্দে তাদের অনুগামীদের সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদে বসিয়েছে। দেশের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলি তাদের দখলে। আমলাতন্ত্র তাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। চারদিকে চলমান নৈরাজ্যের সুযোগ নিয়ে জামায়াত ক্রমশ তাদের অবস্থান সুসংহত করছে। দেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত সবকিছু থেকে বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্মকে বিচ্ছিন্ন করার একটি জোরালো কর্মসূচি বাস্তবায়নে তারা ব্যস্ত। এই ব্যাপারে তাদের সার্বিক সহায়তা করছে ইউনুস সরকার। দেশজুড়ে লাগামহীন মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা দূর্বিষহ করে তুলেছে। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি প্রায় ১৪ শতাংশে উপনিত হয়েছে এই চার মাসে। পথে ঘাটে মানুষ বলছে ‘আগেই ভাল ছিলাম’। বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে চার মাসে কয়েক লাখ মানুষ বেকার হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। নতুন বিনিয়োগ নেই। দেশ ছাড়ছে বহু বিদেশি বিনিয়োগকারী। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশৃংখলা চলমান। শিক্ষকেরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষকরে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। চার মাসে শুধু রাজধানী ঢাকাতেই সাতটি কলেজ বন্ধ হয়েছে। ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িতরা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে না।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post