ফের উত্তপ্ত বাংলাদেশ! ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল ঢাকা । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ উপাচার্য মামুন আহমেদের পদত্যাগ সহ ৬ দাবি পূরণ না হলে, তাঁরা চরম পথ বেছে নিতে পিছু পা হবে না বলে সতর্ক করে দিয়েছে৷
গত রবিবার সারা দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া এবং ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্ত সাতটি কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যে খণ্ডযুদ্ধে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশের রাজধানী। ঢাকার নীলক্ষেত মোড়ে দফায় দফায় অশান্তি ও সংঘর্ষে দুই পক্ষের কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন বলেই খবর। উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ওই সাত কলেজের সমস্ত ক্লাস এবং পরীক্ষা বাতিল করে দেওয়া হয়৷
সোমবার দুপুরে ওই সাতটি কলেজের পড়ুয়ারা একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করে ৭ দফা দাবি পেশ করেন৷ বিকাল ৪টার মধ্যেই তাদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে বড় ধরনের আন্দোলন শুরু করার হুঁশিয়ারিও দেন তাঁরা।
তারপরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজের পড়ুয়াদের মধ্যে সংঘর্ষের পরে সোমবার সাতটি কলেজের অধ্যক্ষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকদের সঙ্গে তিনি একটি বৈঠক করেন। ওই সাতটি কলেজ আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ওই বৈঠকে। ছাত্রদের হুমকি দেওয়ার পরেই এ দিন সাড়ে ১২টার সময় ওই জরুরী বৈঠক হয়। সবার ঐক্যমতের ভিত্তিতে পড়ুয়াদের এই দাবি মেনে নেওয়া হয়।
জানা গিয়েছে, ওই কলেজগুলির পড়ুয়াদের দাবি মেনে সেগুলিকে আলাদা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ওই বৈঠকে। চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই ওই কলেজগুলি আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকবে না। ওই কলেজগুলিতে আসন সংখ্যা এবং ফি কেমন হবে সেটা ঠিক করবে শিক্ষা মন্ত্রক কর্তৃক গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি। সাংবাদিক সম্মেলন করে বৈঠকে নেওয়া এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
কারও কারও ধারণা শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলোর বাইরের কিছু বিষয়ও মাঝে মধ্যে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামার বিষয়ে ভূমিকা রেখেছে এবং এর কোনও কোনটির মধ্যে শিক্ষকদের ইন্ধনের অভিযোগও পাওয়া গেছে বিভিন্ন সময়ে। যদিও কলেজগুলোর শিক্ষকরা সবসময়ই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছেন।












Discussion about this post