ইউনূস সরকারের আমলে ডুবতে বসেছে বাংলাদেশের অর্থনীতি! সমস্ত জিনিসের দাম আকাশ ছোঁয়া। আলু-পেঁয়াজ তো দূর অস্ত, নুন্যতম এক মুঠো চাল কিনতে হাত পুড়ছে আম আদমির। এই অবস্থায় ওপারের সাধারণ মানুষের আরও বিপদ বাড়াল অন্তবর্তী সরকার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মাঝপথে এসে শতাধিক পণ্য ও পরিষেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট সহ একাধিক কর বসালো সরকার।
আর এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের একেবারে দিনআনা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার খরচ এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যাবে বলে দাবি। এমনকি মোবাইল ফোন পরিষেবার উপরেও বসানো হয়েছে অতিরিক্ত শুল্ক। এর ফলে মোবাইলে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যাবে বলেও দাবি।
ওই সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সিম বা রিম কার্ড ব্যবহারের ওপর ২০ শতাংশ হারে সম্পূরক শুল্ক আরোপ হত। অন্তবর্তী সরকারের নয়া সিদ্ধান্তে তা বাড়িয়ে এখন ২৩ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে মোবাইলে কথা বলা এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের খরচও বাড়বে।
এর মাঝে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের আমলে আর্থিক অনিয়মের জন্য আলোচিত ব্যাংক খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার সুপারিশ এসেছে বৈষম্যহীন টেকসই উন্নয়নে অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় সম্পদ আহরণে গঠিত টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনে।
একটি শক্তিশালী সুবিধাভোগী গোষ্ঠী দশক ধরে ব্যাংকিং খাতকে দুর্বল করে রেখেছে তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “এই প্রভাব দূর করতে বাংলাদেশ ব্যাংককে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া প্রয়োজন।
“কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংকের মালিকানা নেওয়ার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। রাজনৈতিক কারণে নতুন ব্যাংক লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ করতে হবে এবং দুর্বলভাবে পরিচালিত ব্যাংকগুলোর জন্য একটি এক্সিট পলিসি প্রণয়ন করা প্রয়োজন।”
টাস্কফোর্সের প্রতিবেদনের একটি সংক্ষিপ্তসার প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস হাতে পেয়েছেন।
শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বৃহস্পতিবার প্রতিবেদনটি হস্তান্তর করেন বলে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে বেশ কিছু প্রকল্প গ্রহণের কথা সুপারিশ করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত সুপারিশগুলো বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জন্য একটি কৌশলগত কাঠামো উপস্থাপন করে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সামাজিক উন্নয়ন ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতা অর্জনে সাহায্য করবে।












Discussion about this post