পদ্মাপাড়ে এখন আওয়ামী লীগ ঝড়। ফেব্রুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি শুরু হয়েছে গোটা বাংলাদেশ জুড়ে। ঢাকার রাজপথে দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের কর্মী সমর্থকদের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করতে। লিফলেট বিলি থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ। এরপর আরও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌছবে আওয়ামীলীগ। আর এদিকে ঘুম ছুটেছে ইউনূসের।
আওয়ামী লীগ নেত্রী তথা হাসিনা এখনও ভারতের আশ্রয়ে। কিন্তু পর্দার আড়াল থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের একটি দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশে ঘোষণা করা হয়েছে কর্মসূচি। এবং সেই কর্মসূচি শুরু হয়ে গিয়েছে। এর আগে দেখা গিয়েছিল, ৫ ই আগস্টের পর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতা-নেত্রী বিদেশে পালিয়ে গিয়েছেন, আর না হলে দেশের মধ্যেই আত্মগোপন করে রয়েছে। এর মধ্যে কেটে গিয়েছে ৬ মাস।আওয়ামী লীগ ও জল মাপার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের পালস বোঝার চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ নেত্রী। সে কারণেই ফেব্রুয়ারি মাসের একটি দীর্ঘ সময় ধরে বিক্ষোভ মিছিল জনসংযোগ এবং হরতালের ডাক দেওয়া হয়েছে। তাদের কর্মসূচি সফল হলে পরিষ্কার হবে সাধারণ মানুষ কি চাইছে। বিক্ষিপ্তভাবে অনেক বাধা আসছে তাদের কর্মসূচীর সামনে। এদিকে আওয়ামীলীগ নেত্রী আগে স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, যদি তাদের কর্মসূচিতে বাধা দান করা হয় সেক্ষেত্রে বড়সড়ো কোন পদক্ষেপ করবে আওয়ামীলীগ দল।
এদিকে রাজনৈতিক মহলে ফেব্রুয়ারি মাস নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকে বলছেন এই ফেব্রুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কোনও বদল আসতে পারে। আর সেই মাসেই আওয়ামী লীগ নেত্রী বেছে নিলেন বাংলাদেশের মধ্যে কর্মসূচির জন্য। তবে কি জেনে বুঝেই হাসিনা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।
তবে শেখ হাসিনার মোটিভটা ঠিক কি? সেটার ও নানা ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। কেউ বলছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী হয়ে। তারই আগাম প্রস্তুতি তিনি নিয়ে ফেলেছেন গত ছয় মাসে। আবার কেউ বলছেন, শেখ হাসিনা চাইছেন বাংলাদেশের অন্দরে নাশকতা সৃষ্টি করতেন। আর সেই সমস্ত দায়ভার গিয়ে পড়বে ইউনূসের বিরুদ্ধে। কারণ তিনি এখন দেশের সর্বোচ্চ পদে রয়েছে। তার আমলেই যদি এই ধরনের ঘটনা ঘটে, গোটা দেশ তাকেই দায়ী করবে। ফলে নানা ব্যাখ্যার মধ্যে থেকে এটা স্পষ্ট, এত সহজে হাসিনা ছেড়ে দেবেন না। তার এমন কিছু পরিকল্পনা রয়েছে, যাক গোটা বিশ্ববাসীকে তাক লাগিয়ে দেবে। কারণ তার পাশে রয়েছে শক্তিশালী কয়েকটি দেশ। আর সেই শক্তিতে ভর করেই হাসিনা হয়তো নজিরবিহীন কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে চলেছেন। এখন দেখার, কি অপেক্ষা করছে ফেব্রুয়ারি মাস।












Discussion about this post