ফের হুশিয়ারি বাংলাদেশের এক উপদেষ্টার। নাহিদ ইসলাম যিনি এর আগে বহুবার ভারত সহ ভারতের বহু নেতৃত্বকে হুমকি, হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। আরো একবার ভারতকে হুঁশিয়ারি দিলেন এই নাহিদ ইসলাম। তার বক্তব্যে উঠে এল, হাসিনা প্রসঙ্গ। হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়েছে, সে বিষয়ে তুলে ধরেন তিনি।
বুধবার বাংলায় একাডেমীর কবি শামসুর রহমান মিলনতনে সংবাদপত্রে জুলাই অভ্যুত্থান শীর্ষক একটি বইয়ের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত হন। সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাহিদ বলেন, ভারতে আশ্রিত রয়েছেন শেখ হাসিনা। এটা একটি কূটনৈতিক বিষয়। আমরা বহুবার বলেছি। হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। কিন্তু ভারত তা করেনি। কিন্তু শেখ হাসিনা যদি ভারত থেকে রাজনীতি করার চেষ্টা করেন তবে ভারতই এর জন্য দায়ী থাকবে।
এমনকি নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০২৪ এর ছাত্র আন্দোলন অবিস্মরণীয় ঘটনা। এটি একটি ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের প্রামাণ্য দলিল। তবে কেউ কেউ এই অভ্যুত্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলছে, যা তো দুঃখজনক।
এদিকে, এর মধ্যেই সামনে এল ভয়াবহ ঘটনা। বুধবার রাতে শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখার কথা ছিল। এই খবর প্রকাশিত হতেই ছাত্র নেতারা শেখ মুজিবর রহমানের 32 নম্বর ধানমন্ডির বাড়িতে তাণ্ডব চালায়। বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে ফেলা হয়। অগ্নিসংযোগ করা হয়। এমনকি বাদ যাইনি মিউজিয়ামও। অর্থাৎ বঙ্গবন্ধু স্মৃতি বিজড়িত সমস্ত জিনিসই পুড়ে খাক হয়ে যায় ওই আগুনে।
তবে এই ঘটনা প্রথম নয়। গতবছর ৪ ঠা আগস্ট এর রাতেও দেখা যায় ওই বাড়িটিতে অগ্নিসংযোগ করতে। সেইদিনই বেশিরভাগ অংশ পুড়ে গিয়েছিল। আবারো সেই বাড়িতেই হামলার ঘটনা। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ওই বাড়িতে হামলা চালিয়ে লাভ টা কি হল? এটা কি শুধুই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ? নাকি এটা বুঝিয়ে ফেলা হল, ছ মাস কেটে গেলেও এখনও দমে যাইনি ছাত্র নেতারা। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছে, যেভাবে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের মধ্যে কর্মসূচি শুরু করেছে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ফেরার পরিকল্পনা করছেন, তাতে ঘুম উড়েছে ছাত্র নেতাদের। কারণ তার একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠিত করতে মরিয়া হয়ে পড়েছে। তার মধ্যেই যদি হাসিনা দেশে ফিরে আসে, তবে তাদের অস্তিত্ব সংকটে পড়ে যাবে। আর সেই আশঙ্কা থেকেই এই কার্যকলাপ। যে তাণ্ডব লীলা দেখলেও গোটা বিশ্ববাসী।












Discussion about this post