হাসিনা ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন। মাঝখানে কেটে গিয়েছে ছয় মাস। প্রথমদিকে হাসিনা পর্দার আড়াল থেকে বেশ কিছু মন্তব্য রাখলেও এখন সরাসরি মন্তব্য করছেন বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে। সম্প্রতি ঘটে চলা বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন তিনি। যা নিয়ে ঘুম উড়েছে ইউনুসের। এইবার ভারতকে অনুরোধ করলেন ইউনুস। ভারতের হাইকমিশনারকে চিঠি অন্তবর্তী সরকারের। বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে হাসিনার নীরবতার অনুরোধ করলেন প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূস। কড়া জবাব দিল ভারত।
হাসিনা সরকারের পতনের কিছুদিনের মধ্যে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচারের ঘটনা সামনে আসতে শুরু করে। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করায় ইসকনের সন্ন্যাসী কৃষ্ণ প্রভুকে গ্রেফতার করা হয়। তারপরে উত্তাল হয়ে উঠে গোটা বাংলাদেশ। ঢাকার রাজপথ সহ বাংলাদেশের আনাচে কানাচে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদ বাংলাদেসে থেমেছিল না। প্রতিবাদের আঁচ এসে পড়ে এপার বাংলাতেও।
এরমধ্যেই আসে দুর্গাপুজো। বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায়, পুজোতে বাধা, মন্দির ভাঙচুর। আওয়ামীলীগ নেতাদের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা। পুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই, সামনে আসে সীমান্তবর্তি এলাকায় কাঁটাতার লাগানো কে কেন্দ্র করে বিএসএফ এবং বিজিবির মধ্যে সংঘাত। তার আগেই দেখা গিয়েছিল, পাকিস্তানের সঙ্গে মিত্র ভাব বাংলাদেশের। বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। মুক্তিযুদ্ধের ইস্যুগুলোকে নতুন করে মূল্যায়ন করার চেষ্টা করেন ইউনুস। এরমধ্যেই বাংলাদেশের চট্টগ্রামে দেখা যায় পাকিস্তানি জাহাজ। সেই জাহাজে বিপুল পরিমাণে অস্ত্র থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়।
এখন ফের নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে বাংলাদেশ। যে রাতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কর্মী, সমর্থকদের উদ্দ্যেশে বার্তা দেওয়ার কথা ছিল, সেই বক্তব্য শুরু হওয়ার আগেই বঙ্গ বন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়ি ভেঙে ধূলিসাৎ করে দেওয়া হয়।
এই ঘটনা নিয়ে হাসিনা বেশ কিছু বক্তব্য রাখেন। আবেগী কন্ঠে তাকে বলতে শোনা যায়, শেষ স্মৃতি টুকু মুছে ফেলল ওরা। তবে একটি দালান ভাঙলেও ইতিহাস মোছা যাবে না। আবার নতুন করে বাংলাদেশকে স্বাধীন করবে বলে শোনা যায় হাসিনাকে। আর এতেই ভয় পেয়েছেন বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের
এইবার অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে ভারতকে চিঠি দেওয়া হয়, বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে উস্কানিমূলক কোন বক্তব্য না রাখে। এই বার উত্তরও দিলো ভারত। বাংলাদেশের হাই কমিশনার নুরুল ইসলামকে তলব ভারতের। সাংবাদিক বৈঠক করে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে কূটনৈতিক ঠিক সম্পর্ক রাখতে চায় ভারত। এমনকি এটাই উল্লেখ করা হয়, হাসিনার বক্তব্য একান্ত তার ব্যক্তিগত।












Discussion about this post