বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে হাসিনা সরকারের পতন ঘটেছে। দেশ ছেড়ে বোন রেহানাকে নিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন শেখ হাসিনা। এর মধ্যে ক্ষমতায় বসেছেন নোবেলজয়ী মোহম্মদ ইউনুস। কিন্তু ইউনুস মোটেই সুবিধাজনক জায়গায় নেই। বাংলাদেশে একাধিক রাজনৈতিক দলগুলি যেমন বিএনপি, জামাত তারা প্রতেক্যেই বলছে, দেশকে স্থিতিশীল জায়গায় রাখতে নির্বাচন
দরকার। যদিও জামাত বলেছে, দেরি হলেও ক্ষতি নেই। কিন্তু দেশে প্রয়োজন সুস্থ একটি নির্বাচন। তার জন্য সময় দিতে রাজি। তবে বিএনপির বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। দ্রুত নির্বাচন চাইছে তারা। তার কারণ, এই সময় সক্রিয় ভাবে দেখা যাচ্ছে না আওয়ামী লীগকে। ফলে এই মুহূর্তে ভোট হলে, খুব সহজেই নির্বাচনে জয়ী হতে পারে বিএনপি। সেই সম্ভাবনা থেকেই তাদের এই বক্তব্য। কিন্তু ইউনুস বলছে অন্য কথা। তিনি নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় বেঁধে দিয়েছেন, ২০২৫ এর শেষে কিংবা ২০২৬ এর মাঝামাঝি সময়ে। তবে ইউনুস নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি করছেন, সেই অভিযোগ
আগেই উঠেছিল। এইবার সরব হলেন জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সরজিস আলম। তিনি নতুন দল গঠনের কথা ভাবছেন। এমনকি সেই কার্যক্রম শুরু হয়ে গিয়েছে। তার দল গঠনের বৈঠকে সারজিস বলেছেন, যদি ক্ষমতার অলিন্দে বসে কেও ক্ষমতার অপব্যাবহার করে, তবে আরও একটা গণ বিপ্লব হবে। তার মতে, গণ অভ্যুত্থানের কারিগররা বাংলাদেশের সরকারের প্রথম সারিতে থাকবে। ঠিক কি বলেছেন সারজিস আলম শুনুন…
বাইট – সারজিস আলম, নাগরিক কমিটির সংগঠক
এইবার মহা বিপদে পড়েছেন মোহাম্মদ ইউনুস। যাদের আহ্বানে, অনুরোধে বাংলাদেশের দায়িত্বও নিলেন, সেই ছাত্রনেতারা যদি এররকম হুশিয়ারি দেন তাহলে ইউনুস কি আর বেশিদিন বাংলাদেশের ক্ষমতায় থাকতে পারবেন? যদিও একাধিক মঞ্চ থেকে তদারকি সরকারের প্রধান মোহম্মদ ইউনুস বলেছেন, এই জায়গায় তার জন্য নয়। তিনি দেশের খারাপ সময়ে দেশের পাশে থেকেছেন। তবে তার প্রতি দেশের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে, তিনি এই জায়গা ছেড়ে দেবেন।
তবে যেভাবে দেশের অন্দরে বিবাদ সৃষ্টি হচ্ছে, আরও একটি গণ বিপ্লবের কথা উঠে আসছে, সেখানে দাঁড়িয়ে দেশে সুস্থ পরিবেশ কতদিন বজায় থাকে, সেটাই দেখার।












Discussion about this post