বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান, সম্প্রতি বেশ কিছু মন্তব্য করে যেন। যা নিয়ে তুমুল আলোচনা চলছে। তিনি বাংলাদেশে ঘটে চলা পরিস্থিতি নিয়ে মূলত কিছু মন্তব্য করেছেন। যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিভ8ন্ন মহলে কাটাছেঁড়া। এর পাশাপাশি তার বক্তব্যে সাধারণ মানুষ কি ভাবছেন, সেটা নিয়ে বিস্তর আলোচনা চলছে।
সেনাপ্রধানের বক্তব্য নিয়ে তোলপাড় বাংলাদেশের রাজনীতি। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান যে বার্তা দিয়েছেন তাতে নানা প্রশ্ন উঠে আসছে। তিনি বলছেন, বাংলাদেশের রাজনীতি বিপন্ন হয়ে যাবে, যদি নিজেদের মধ্যে আমরা কাদ ছোড়াছুড়ি করি। আমি সতর্ক করে দিচ্ছি, পরে বলবেন না যেন আমি সতর্ক করিনি। এমনটাই বললেন সেনাপ্রধান। এখানেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি এবার ইউনূসের দিন শেষের পথে?
মঙ্গলবার ২০০৯ সালে তৎকালীন বিডিয়ার সদর দফতর পিলখানায় সংঘটিত নির্মম হত্যাকাণ্ডে শাহাদত বরণকারী সেনা কর্তাদের স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানের যোগ দিয়েছিলেন সেনা ওয়াকাকার উজ জামান। এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয় রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন ক্লাবের আয়োজনে রাজধানীর মহাখালীর রাওয়া ক্লাবের হেলমেট হলে। আর সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেনাপ্রধান বলেন, enough। এই সাত মাসের কথা উল্লেখ করেন তিনি। তারপর তিনি বলেন, আমার কোনও অসৎ উদ্দেশ্য নেই। দেশকে শান্তির মধ্যে দেখে আমি সেনানিবাসে ফিরে যাব। বচেন সেনাপ্রধান।
অরাজক পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে অপরাধীরা। এমনটা বলছেন সেনাপ্রধান। এখানে তিনটি তত্ত্ব খাড়া রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের এই ভাবেই চিন্তা করছেন সেনাপ্রধানের বক্তব্য শুনে।
প্রথমত, বাংলাদেশের উপদেষ্টারা একাধিক জায়গায় বলেছেন, বাংলাদেশে কোনও অরাজকতা নেই, সুন্দরভাবে চলছে দেশ। সেখানে সেনাপ্রধান ঘুরপথে স্বীকার করে নিলেন, বাংলাদেশ বিশৃংখল পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে।
দ্বিতীয়ত, যার উপর গোটা দেশের নিরপত্তা রয়েছে, তারই প্রধান যদি বলেন দেশকে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি থেকে বাঁচাতে হবে, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবেন?
আর তৃতীয়ত, ওয়াকার উজ জামান বুঝে গিয়েছেন, দেশ সংকটের মধ্যে পড়লে শত্রুরা তার সুযোগ নেয়।
এর পাশাপাশি আরও একটি বিষয় বলছেন রাজনীতিক বিশেজ্ঞরা। তারা বলছেন, সেনাপ্রধান বাংলাদেশের পরিস্থিতির কথা তুলে ধরে নিজের দায় থেকে এড়াতে পারেন না। দেশকে অরাজক মুক্ত রাখতে তাকেও দায়িত্বও নিতে হবে। তবে অনেকে বলছেন, বাংলাদেশের বহু মানুষের সেনাপ্রধানের উপরই আস্থা রয়েছে। তিনি যদি দেশের দায়িত্বে থাকতেন, তবে সাধারণ মানুষের পূর্ণ সমর্থন ও ভরসা থাকতো।












Discussion about this post