দেশের অন্দরে হাওয়া ঘুরছে। সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করতে গিয়ে তাকে চটিয়ে ফেলেছেন। আর এরপরই ভুগতে হবে তাদের। সেনানিবাসে চলছে একটি বৈঠক। যেখানে উপস্থিতি সেনাপ্রধান এবং সেনাকর্তা। মনে করা হচ্ছে, এই বৈঠক থেকে এমন কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে, যার জন্য বাংলাদেশের ছাত্রনেতারা হয়তো এখনও তৈরি নয়।
আসলে ৫ই অগাষ্ট শেখ হাসিনার পতনের পর তাকে ভারতে নিরাপদে পাঠিয়েছিল সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান। তারপর থেকে ছাত্র নেতাদের রোষে পড়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, তাকে প্রানে মেরে ফেলার চক্রান্ত পর্যন্ত করা হয়েছিল। কিন্তু তা বিফলে যায় ভারতের কারণে। তার ওপর এনসিপি বা জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেন। যেখানে সেনাপ্রধানের সঙ্গে হওয়া গোপন বৈঠক নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। জানিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতি তোলপাড়। আর এরপর থেকেই ছাত্র নেতারা উল্টে সেনাপ্রধানের রোষে
পড়েছেন। আর তারই ফলস্বরূপ আজকের এই বৈঠক। সেনানিবাসে সেনাপ্রধান ছাড়াও সেনাকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। যেকোনো একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন তারা। যার জন্য তৈরি নয় ছাত্র নেতারা। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে নতুনভাবে স্বপ্ন দেখেছে এই সার্জিস, হাসনাত রা। কিন্তু তা পূরণ হওয়ার আগেই বড়সড়ো কোন পদক্ষেপের কথা তারা জানতে পারবেন। বলছে ওয়াকিবহাল মহল।
এমন কি মনে করা হচ্ছে, এই ধরনের ফেসবুকে পোস্ট করার জন্য আপনাদের বড়সড়ো কোন শাস্তি প্রাপ্য রয়েছে। আর সেটা খুব শীঘ্রই তার ওপর নেমে আসবে। বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে একটা কথা ঠিক, বাংলাদেশে শুরু হয়েছে গৃহযুদ্ধ। আর এই গৃহ যুদ্ধই বিপদ থেকে আনবে বাংলাদেসে। তবে সেনা শাসন চাউড়ের খবর কতটা সত্যি হবে সেটা নিয়ে দ্বিমত পোষণ করছেন ওয়াকিবহাল মহল। কারণ সেনা শাসন জারি করার পরিকল্পনা হলে আগেই করে ফেলতেন সেনাপ্রধান। কিন্তু তিনি সেটা চাননি। এমনকি হাসিনা সরকারের পতনের পর সেনা শাসনের ছিল কয়েকদিন বাংলাদেশ। কিন্তু সেনা প্রধান তড়িঘড়ি একটি তদারকি সরকার গঠন করে মোহাম্মদ ইউনূসের হাতে সমস্ত ক্ষমতাভার তুলে দেন। ক্ষমতার মায়া জালে জড়াননি সেনাপ্রধান। তবে পদ্মাপরের পরিস্থিতি এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে বড় কোন পদক্ষেপ করতেই পারেন তিনি। এখন দেখার, শেষমেশ কি ঘটে।












Discussion about this post