বাংলাদেশের সেনানিবাসে কয়েকদিন ধরে চলেছে ম্যারাথন বৈঠক। মনে করা হচ্ছিল কিছু একটা ঘটবে। হয় গোটা দেশটি সেনা শাসনে চলে যাবে, আর না হয় জরুরী ভিত্তিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্তু শেষমেশ দেখা গেল, কিছুই ঘটল না। রাস্তায় শুধু দেখা যাচ্ছে সেনাবাহিনীকে সক্রিয়ভাবে। এখনো নিশ্চুপ সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশ এক বিস্ফোরক সম্ভাবনার কথা তুলে ধরছেন।
মার্চের মধ্যেই শেখ হাসিনা নাকি বাংলাদেশে পদার্পণ করবেন। এমন একটা খবর চাউল হচ্ছিল রাজনৈতিক মহলে। কিন্তু আদেও সেই খবর কতটা সত্যি সেটা নিয়ে সন্ধিহান রয়েছে। কারণ এর আগেও গত ৮ মাস ধরে বহুবার শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার জল্পনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু শেষমেষ বাংলাদেশের ফেরেননি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্যে বাংলাদেশের বেড়ে চলেছে পরাজক পরিস্থিতি। সেনাপ্রধান ঢুকতে পেরে সেনাবাহিনীকে রাস্তায় নামিয়েছেন। আর এখানেই রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছেন, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরানোর জন্য রাস্তা তৈরি করে ফেলেছেন ওয়াকার। সেই কারণেই সেনানিবাসের পরপর বৈঠক। ছাত্রনেতা এবং উপদেষ্টা মন্ডলীদের নানা কথা সামনে আসছে। তারা সেনাপ্রধান কে কাঠগড়ায় চলছে। শুধু তাই নয়, আপনাকে প্রাণী মেরে ফেলার মত পরিকল্পনা ছোকে ফেলা হয়েছিল। সেটা অবশ্য পরে বানচাল হয়ে যায়। এখন তিনি সিদ্ধ হস্তে নেমে পড়েছেন রাস্তায়। চলছে সেনাবাহিনীর টহলদারি। বাংলাদেশের রাস্তা দখল করে নিয়েছে তারা।
বিশেষ সূত্রের খবর, দেশে সেনা শাসন বা জরুরি ভিত্তিক কোনও একশন শুরু হওয়ার কথা এখনও নির্দিষ্ট করে জানা যায়নি। তবে বেশ কিছু বিশেষ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে। সেনাপ্রধান তার উচ্চপদস্থ সেনাকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করে গ্রহণ করেছেন। শুধু মাত্র তাই নয়,
রাষ্ট্রপতির সম্মতিও থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর কারণ এর মধ্যেই রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর সঙ্গে দেখা করে আলোচনা করেছেন ওয়াকার উজ জামান। তবে ইউনূসের ওপর যে সেনাপ্রধানের আর কোনও ভরসা নেই, সেটা ছত্রে ছত্রে প্রমাণিত।
এখন দেখার, বাংলাদেশ শেষমেশ কোন পথে এগোই।












Discussion about this post