পাকিস্তান কি কুকুরের লেজের থেকেও খারাপ, প্রবাদ আছে কুকুরের লেজ কখনও সোজা হয় না। তবে কি পাকিস্তান কুকুরের লেজের থেকেও অধম, তবে এটি পাকিস্তানের সাধারণ জনগেনের জন্য প্রযোয্য নয়। কারণ সেদেশের সরকার জঙ্গীদের যে খাতির করে রাখে তাতে সে দেশের জনগন নিরুপায়। তারা এমন একটা সরকারের দ্বারা পরিচালিত। যারা নিজের দেশের সাধারণ মানুষকে হত্যা করে, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের কাছে এটা প্রমান করতে যে ভারত পাকিস্তানের সাধারণ মানুষকে হত্যা করেছে। অথচ পাকিস্তানের সাধারণ নাগরিক বলছে যে ভারত কেবল জঙ্গী আড্ডাতেই আঘাত হেনেছে।
কোন সাধারণ বাসস্থান অথবা কোন সৈন্য ঠিকানাতে আক্রমন করেনি।যেখানে পাকিস্তানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিৎ ছিল ভারতের কাছে, যে ভারত দায়িত্ব নিয়ে পাকিস্তানের জঞ্জাল সাফ করেছে। এই জঙ্গীঘাঁটি গুলি সেই জঞ্জাল যারা পাকিস্তানেরই স্কুলে হামলাচালিয়ে শিশুদের হত্যা করেতে দু-বার ভাবে না। পাকিস্তানের কে যে কি বলছে তা তাদের নিজেরাই জানে না। প্রতিরক্ষামন্ত্রী, বিদেশমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী এবং সেনা, কারোর বক্তব্যেই কোন মিল নেই। বিদেশ সচিবের কথায় সেই যে ১৯৪৭ সালে দেশ সৃষ্টি হওয়ার থেকে তারা মিথ্যে কথা বলে আসছে, তা আর শুধরোতে পারল না পাকিস্তান । আসলে ভারতের অংশ থেকেও ভারতকে চিনতে পারেনি পাকিস্তান সেনা আর রাজনীতিবিদরা। বাংলাদেশের বড় ভাই হতে গিয়ে, ভিক্ষারী বানিয়ে দিল পাকিস্তানকে। পাকিস্তান দেখল ভারতে ওয়াকফ বিল নিয়ে একটা মতভেদ তৈরী হয়েছে, এই সময় যদি ভারতে হিন্দুদের ধরে ধরে মারা হয়, তাহলে তারা আগুনে ঘি দেওয়ার কাজটি করতে পারবে। অর্থাৎ ভারতে হিন্দু মুসলমানে বিদ্বেষ বাঁধিয়ে নিজেদের মধ্যে গৃহ যুদ্ধ বাঁধিয়ে দেওয়া যাবে।কিন্তু তাদের কপাল খারাপ, ফল হল উল্টো, আসলে পাকিস্তানের জঙ্গীরা যে কাজটি করেছে তাতে বেশী কষ্ট পেয়েছে ভারতের মুসলমানরা। তাদের ইমানে আঘাত করেছে পাকিস্তানের জঙ্গীরা।
আমাদের দুর্ভাগ্য যে আজও আমাদের হিন্দু মুসলমান শিখ খিস্টান বলে আলোচনা করতে হয়। আমরা সবাই ভারতীয় এই চেতনা আমরা এখনও অর্জন করতে পারিনি। কিন্তু এই যুদ্ধ কোথাও গিয়ে সেই বিভেদ মিটিয়ে দিয়েছে। ভারতের ১৪০ কোটি মানুষ জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে। তবে এখানে বলে রাখা ভালো ভারতেরও কোথাও গিয়ে ভাববার সময় এসেছে, যখন যুদ্ধের সময় আব্দুল কালাম, সোফিয়া কুরেশির জন্য ১৪০ কোটি ভারতবাসী গর্ব করতে পারি, তাহলে ভারত নিয়ে সেই সম্প্রদায়ের মধ্যে কোন প্রশ্ন থাকবে কেন। কোথায় সমস্যা সেটাও দেখা উচিৎ।নয়তো আজ বিদেশী শক্তি চেষ্টা করেও ভারতে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি করতে পারেনি, যাতে আগামী দিনেও না পারে সেই দিকে সাবধানী নজর দেওয়া উচিৎ। ভারতের একতাই ভারতের সামর্থ্য। পাকিস্তান বাংলাদেশের মত আরও কিছু মুসলিম দেশ ভারতের মুসলমানদের নিয়ে কথা বলার সাহস পায় কোথা থেকে। তাহলে চিনের সিনজিয়াংয়ে মুসলিমদের সঙ্গে কি ব্যবহার করা হয় সেটা কি জানে পাকিস্তান। সারা পৃথিবী যখন জানে, তখন পাকিস্তান বাংলাদেশও জানে নিশ্চয়। কিন্তু কিছু বলার সাহাস নেই, তাহলে চীন একেবারে শেষ করে দেবে।
চীনের উইগুর মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে উঠে আসছে। জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে শিনজিয়াং প্রদেশে উইগুর মুসলিমদের ওপর অমানবিক আচরণ করা হয়েছে, যা ২০১৯ সালের পরেও অব্যাহত রয়েছে। যারা জানেন না তাদের বলি অত্যাচারটা কেমন। এখানে কোরানের কোন অংশ পড়া যাবে আর কোন অংশ পড়া যাবে না সেটা ঠিক করে চীনসরকার। রোজা রাখা যাবে কি যাবে না তাও ঠিক করে চিনসরকার। মৌলবীদের সাজা হল ডান্স, কাটস্ পরিয়ে রাস্তায় নাচোনো হয় মৌলবীদের। আর মহিলাদের হাঁটুর নিচে কাপড় পরা যাবে না। রাস্তায় হাঁটুর নিচে কাপড় পরে বেরোলে পুলিশ এসে কাপড়ের নিচের অংশ কেটে দেয়। পাকিস্তান, বাংলাদেশের ক্ষমতা আছে কিছু বলার। ভারতে ডেমোক্রেসী অনেক বেশী বললে কম বলা হয়।অনেক অনেক বেশী। চীন যে পাকিস্তান আর বাংলাদেশকে সাহায্য করতে চায় সেটা কোন পাকিস্তান বা বাংলাদেশ প্রীতি থেকে নয়। সেটা হল ভারতকে চাপে রাখার জন্য।












Discussion about this post