পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা করলেন ভারতের সঙ্গে যুদ্ধে বড় জয় পেয়েছে পাকিস্তান। আর সেই বিজয় উৎসব পালনও হয় গত রবিবার সারাদেশ জুড়ে। ১২ টি এয়ারবেস, বিভিন্ন ধরনের জেটস এবং এডভ্যান্স এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস হওয়ার পরও জিতে গেল পাকিস্তান। এখন প্রশ্ন কোন মতেই পিছু হাটতে না চাওয়া ভারত, কিভাবে রাজি হয়ে গেল যুদ্ধ বিরতি চুক্তিতে। প্রথমে ট্রাম্প টুইট করেন যে ভারত-পাকিস্তান যু্দ্ধ বিরতিতে রাজী হয়েছে। তার পরপরই বিক্রম মিস্ত্রি ঘোষনা করেন দু-ই দেশের ডিজিএমও দের মধ্যে কথা বার্তার পর, দুই দেশ যুদ্ধ বিরতিতে রাজি হয়েছে। আর এই ঘোষনার দুই থেকে আড়াই ঘন্টার পর পাকিস্তান যুদ্ধ বিরতি চুক্তি ভঙ্গ করে। এবং আবার ভারতের উপর হামলা শুরু করে। তার কিছুক্ষনের মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা করেন যে পাকিস্তান এই যুদ্ধ জিতে গেছে। এবার বাস্তবটি কি সেই বিষয়ে আসা যাক। ভারত অপারেশন সিন্দুর এর মাধ্যমে পাকিস্তানের ১২ গুরুত্বপূর্ণ জঙ্গী ঘাঁটি ধ্বংস করে।
এই ধ্বংসের পর পাকিস্তান বলছে, তারা যুদ্ধ জিতে গেছে। অপারেশন সিন্দুরের মাধ্যমে ভারত পাকিস্তানের টেরর লঞ্চপ্যাড, এবং চিনের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়। তার পরও পাকিস্তান বলে তারা যুদ্ধ জিতে গেছে।ভারতের মিশাইল দ্বারা পাকিস্তানের এফ সিক্সটিন এবং চীনের ফাইটার জেট ধ্বংস করে দেওয়া হয়।তার পরও পাকিস্তান যুদ্ধ জিতে গেছে। ভারতের মিলিট্যারি কার্যকলাপ পাকিস্তানের মিলিট্যারি বেস পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে, তার পরও পাকিস্তান বলছে যুদ্ধ জিতে গেছে। কিন্তু এখন প্রশ্ন ভারতের পক্ষ্যে এই বিশাল সাফল্যের পরও হঠাৎ কেন ভারত সিজফায়ারে রাজি হয়ে গেল ভারত। এবং সেই ঘোষনা কেন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি দ্বারা করা হল। এই বিষয়ে অনেকগুলি কারণ উঠে আসলেও, দু-টি বিষয়কে মুল রুপে ধরা হচ্ছে। যদিও প্রথমটি তেমন একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়, দ্বীতিয়টির তুলনায়। তো প্রথম কারনটি হল, ইউএস এবং চাইনার যু্দ্ধ ইক্যুয়েপমেন্ট ব্যবহার করেছিল পাকিস্তান।মজার বিষয় হল ঐ যুদ্ধাস্ত্রগুলি নিয়ে যে ধরনের প্রচার করা হয়, সেই প্রচারের ধারে কাছেও তারা নিজেদের প্রমান করতে পারেনি। না চায়নার ফ্যাইটার জেট, না আমেরিকার এফ সিক্সটিন বিমান।
ফলে বিশ্বের বাজারে এগুলির গুরুত্ব কমে যাওয়ার চ্যান্স অনেক বেশী। অন্যদিকে রাশিয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের আধিপত্য সকলের নজরে এসেছে। গোটা পৃথিবীর তারিফ কুড়িয়েছে, রাশিয়া ডিফেন্স সিস্টেম। তবে এগুলিকে যুদ্ধ বিরতির জন্য গুরুত্বের বিচারে ৫০ শতাংশের অনেক কম বলেই ধরা হচ্ছে। আর এর জন্য আমেরিকার খুব একটা মাথাও ব্যাথা ছিল না। এবং আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স শুক্রবার এক আন্তর্জাতিক গন মাধ্যমকে বলেছিলেন এই যুদ্ধে আমেরিকা মাথা গোলাবে না। তাহলে হঠাৎ কি হল যে, শুক্রবারই আমেরিকা যুদ্ধ বন্ধের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে বাধ্য হল। আসলে ঐ মাধ্যমেই বলা হয়েছিল এক গোপন গোয়েন্দা তথ্য আসে আমেরিকার হাতে, যার কারণে আমেরিকা সিজফায়ারে রাজি হওয়ার জন্য ভারতকে চাপ দিতে থাকে। গোপন রিপোর্টটি প্রকাশ না করা হলেও, ট্রাম্পের আর একটি টুইট থেকে বিষয় টি স্পষ্ট হয়, যেখানে ট্রাম্প লিখছেন লাখো সম্পত্তি এবং সাধারণ মানুষের প্রাণ জেতে পারে। আর এখান থেকেই যে সম্ভাবনার কথা উঠে আসছে তা হল সব হারিয়ে মরিয়া পাকিস্তান নিউক্লিয়ারে হাত দিতে চাইছে। কারণ সমস্ত সুত্র জুড়লে যেটা পাওয়া যাচ্ছে পাকিস্তান তাদের অফেন্সিভ এবং ডিফেন্সিভ সব কিছু নষ্ট হয়ে গেছে দেখার পর, তাদের কাছে একটাই উপায় এই লজ্জা জনক হারের থেকে নিজেদের মুখ বাঁচাতে নিউক্লিয়ার যুদ্ধে যাওয়া। আর যার জন্য ২২ শে এপ্রিল থেকেই প্রস্তুত হচ্ছিল পাকিস্তান। কারণ ২২ তারিখে প্যাহেলগাঁও হওয়ার পর পাকিস্তানে ৪.৩ মাত্রার ভুমিকম্প অনুভব করা গিয়েছিল।
এর পর ৩০ শে এপ্রিল পাকিস্তানে ভুকম্প অনুভব হয় ৪.৪ মাত্রার। আবার ৫ই মে ভুমিকম্প অনুভুত হয় ৪.২ মাত্রার। এবং ১০ই মে ভুমিকম্প অনুভুত হয় ৪ মাত্রার। সব থেকে মজার বিষয় হল, এই ভুমিকম্প সেখানেই অনুভুত হয় যেখানে পারমানবিক পরীক্ষা করার নিদৃষ্ট স্থান রয়েছে। এবার অনেকেই ভাববেন যে ভারত কি পরমানু যুদ্ধের হুমকিতে ভয় পেয়ে গেছে। মোটেই তা নয়। আসলে পাকিস্তান হল অন্ধদের দেশ, তো অন্ধের চোখ তুলে কি কোন লাভ আছে। কারণ পাকিস্তান পরমানু হামলা করলে ভারত হয়তো তাকে প্রতিহত করতে পারে, তবে ১০০ শতাংশ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। মানে ভারতের ভালোই ক্ষতি হবে। যদিও যুদ্ধের শেষে পাকিস্তান বলে আর কোন দেশের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাবে না। এখানে বলে রাখা ভালো পাকিস্তান কখনই সাধারণ নাগিরিকদের কথা ভাবে না।
আর পারমানবিক যুদ্ধ হলে তার প্রভাব শুধু ভারত পাকিস্তানেই পড়বে না, তার প্রভাব পড়বে সারা বিশ্বে। পাকিস্তান তো ভিক্ষারী দেশ, ভবিষ্যত বলে কিছু নেই। কিন্তু ভারেতর মত কোন দেশের উচিৎ হবে না ঐ ধরণের ভয়ঙ্কর যুদ্ধে জড়িয়ে যাওয়া। এখানে পিছিয়ে আসাই বুদ্ধিমানের কাজ। আপনারা মতামত জানাতে পারেন ।












Discussion about this post