বাংলাদেশে পালাবদল হয়েছে প্রায় ৯ মাস কেটে গিয়েছে। এই কটা মাসে উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেয়েছে ভারত বিরোধিতা। এবার মোহাম্মদ ইউনূসকে কড়া জবাব নয়া দিল্লির। ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের সাতটি রাজ্যগুলির পণ্য পরিবহনে বাংলাদেশের ওপর নির্ভরতা কমানোর জন্য উদ্যোগ ভারত সরকারের সড়ক পরিবহন মন্ত্রকের। জানা যাচ্ছে, ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের মেঘালয়ের শিলংয়ের মাওলিংখুঙ্গ থেকে অসমের শিলাচর পর্যন্ত ১৬৬ কিলোমিটার রাস্তা ৬ লেন করা হচ্ছে। আর সেই রাস্তা কে একদিকে মায়ানমারের সঙ্গে যুক্ত করা হবে এবং অন্যদিকে কলকাতার সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এর জেরে খুবই সহজ এবং দ্রুত গতিতে পণ্য পরিবহন করা সম্ভব হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বৃদ্ধি পেয়েছে
ভারত বিরোধিতা। শুধু তাই নয়, ভারতের সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ওপার বাংলা থেকে ধেয়ে এসেছে নানা মন্তব্য। কখনও সেভেন সিস্টারস দখল করার হুমকি, আবার কখনও কলকাতা দখলের হুমকি। সম্প্রতি, চীন সফরে গিয়ে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূস ভারতের সাতটি রাজ্যকে ল্যান্ডলক বলেছেন। এমনকি ওই এলাকায় সমুদ্রের অভিভাবক বলেন। যেগুলি ভারত একেবারেই ভালো চোখে নেয়নি। শুধু তাই নয়, বিমস্টেক শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে মহম্মদ ইউনূসের বৈঠক হলে, সেখানে প্রধানমন্ত্রী জানিয়ে দেন, এমন কিছু মন্তব্য করা ঠিক নয় যেটা দুই দেশের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করতে পারে। কিন্তু তাতেও লাভের লাভ হয়নি। ফের মোহাম্মদ ইউনূসের গলায় ভারতের সাতটি রাজ্যের অবস্থানগত সমস্যা। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে বিনিয়োগ সংক্রান্ত একটি অনুষ্ঠানে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে মন্তব্য করেন। এই উপমহাদেশের হৃদপিণ্ড হল বাংলাদেশ। যদিও পারস্পরিক সহযোগিতার কথা উল্লেখ করে সেভেন সিস্টার্স নিয়ে মন্তব্য করেন ইউনুস। কিন্তু যেভাবে দিনের পর দিন এই সাতটি রাজ্য প্রসঙ্গে ভারতকে খোঁচা দেওয়া হচ্ছে, তাতে এবার পদক্ষেপ নিতে শুরু করল ভারত।
খবর পাওয়া যাচ্ছে, গত ৩০শে এপ্রিল সেভেন সিস্টার্স এর পণ্য পরিবহনে নয়া পরিকল্পনা মঞ্জুর করেছে। নতুন এই সড়কপথে শিলাচর থেকে ত্রিপুরা, মনিপুর এবং মিজোরাম হয়ে মায়ানমার পর্যন্ত যোগাযোগ স্থাপন হবে। এবং সহজ হবে পন্য পরিবহনে। এমনকি মায়ানমারের দুটি বন্দরের সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ অতি সহজ হয়ে যাবে। সূত্রের খবর, এই সড়ক পথটি করতে খরচ বরাদ্দ করা হয়েছে ২২ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা। এই কাজ ২০৩০ এর মধ্যে শেষ হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের সড়ক পরিবহন মন্ত্রকের এই পরিকল্পনাই মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চাইছে ভারত। এবং এই নয়া পরিকল্পনাযর মধ্যে দিয়ে মহম্মদ ইউনূসকে যোগ্য জবাব দিল ভারত সরকার।












Discussion about this post