ফাঁস ইউনুসের ষড়যন্ত্র! প্রথমে পদত্যাগের নাটক, এরপর ইউনুস সিন্ডিকেটের মিরাকেল! ধীরে ধীরে চূড়ান্ত হচ্ছে সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে চক্রান্ত। ঘরে বাইরে এখন শুধুই ষড়যন্ত্রের জাল! ইউনুস সিন্ডিকেটের ষড়যন্ত্রের ‘স্পেশাল ইলেভেন’ কারা?৩রা জুন থেকে কার্যকর ইউনুসের ষড়যন্ত্র! তার আগেই ইউনুসের জালিয়াতি ফাঁস করলো সেনা। সেনার কবলে ইউনুস মাস্টারপ্ল্যান।
গত সপ্তাহে হঠাৎ করে ই প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনুস তার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। যদিও শুরু থেকে বিভিন্ন মূল্যের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছিল এটি ইউনূসের একটি সুপরিকল্পিত নাটক। এরপর সময় সঙ্গে সঙ্গে সেই দাবি সত্যি হতেও দেখা গেল। অন্তর্বর্তী সরকারের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হলো , এই মুহূর্তে পদত্যাগ করছেন না প্রধান উপদেষ্টা মহমমদ ইউনুস। অর্থাৎ অনেকেই ধারণা করছে এই নাটকটি ও ইউনূসের ক্ষমতা ধরে রাখার লড়াইয়ের একটি অংশ। কিন্তু এরপর দেখা যাচ্ছে দেশে নির্বাচন না করিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার লড়াইয়ের সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে সেনাপ্রধান জেনারেল জামান উজ জামান। কারণ একমাত্র সেনা প্রধানের তরফ থেকেই বারংবার চলতি বছর ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন করার দাবি উঠে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে। তাই এখন মোঃ ইউনুস চাইছেন যত দ্রুত সম্ভব সেনা প্রধানকে তার পথ থেকে সরিয়ে দেখে তার ক্ষমতা বিস্তার করত। আরে বাহ সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে ইউনুসের এই ষরযন্ত্রে স্পেশাল ইলেভেন গঠন করলেন ইউনুস। কিন্তু অন্তর্ভুক্তির সরকারের এই নয়া ষড়যন্ত্রের আঁচ পেয়ে গিয়েছে সেনাপ্রধান। কারণ সপ্তাহের শুরুর সকাল থেকেই ঢাকার রাস্তায় রাস্তায় সোনার টহল বেড়েছে। অর্থাৎ সাধারণ নাগরিককে বোঝানো হচ্ছে, ক্ষমতার অলিন্দে থাকলেই সকলে দেশ পরিচালনা করতে পারবে না কারণ বাংলাদেশে সেনাবাহিনী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আর এবার মুহাম্মদ ইউনুস এর নয়া মাস্টার প্ল্যান ফাঁস। মোহাম্মদ ইউনুস যে ক্ষমতা লোভি একজন ব্যক্তি তা বুঝতে হয়তো কারোরই বাকি নেই কারণ তিনি এখন চাইছেন নির্বাচনে বিলম্ব করে ক্ষমতার আসন টিকিয়ে রাখতে, পাশাপাশি নতুন ছক কোষে আরো পাকাপাকিভাবে দেশের ক্ষমতায় নিজেকে নিয়ে আসতে। কিন্তু এই ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার পরিকল্পনায় বাংলাদেশের সরকারের সবথেকে বড় শত্রু এখন সে দেশেরই সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার জামান। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের আগেও সে দেশের সেনাপ্রধান কেই সবথেকে বড় পথের কাঁটা মনে করছে অন্তবর্তী সরকার। মোহাম্মদ ইউনুসের দাবি এই পরিস্থিতিতে সেনাপ্রধান কে তার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হোক, বা আন্তর্জাতিক স্তরে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হোক। আর এই সমস্ত দাবি পূরণ করার জন্যই এই স্পেশাল ইলেভেন দল গঠন করেছেন মহম্মদ ইউনুস।
প্রসঙ্গত গত বছর ৮ই অগাস্ট ক্ষমতায় এসেছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস। সংবিধান অনুযায়ী, ১০৬ এর আর্টিকেল অনুযায়ী বিচার ব্যবস্থা যদি মনে করে তবে তারা একটি অন্তর্বর্তীকালীন শাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে। আর গত বছর গণঅভ্যুত্থানের জেরে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সময় এই ১০৬ এর আর্টিকেল থেকেই প্রধান অস্ত্র করে নিয়েছিলেন মোহাম্মদ ইউনুস। এরপরে প্রধান উপদেষ্টা পদে আসীন হয়ে ইউনূসের সিন্ডিকেট আস্তে আস্তে দেশে প্রকট হতে শুরু করে।
এরপর দেখা যাচ্ছে সেনা প্রধানকে নিকেশ করার উদ্দেশ্যে যে স্পেশাল ইলেভেন গঠন করা হচ্ছে ইউনূসের তরফে তার প্রধান দায়িত্ব রয়েছে মার্কিন নাগরিক অন্তর্ভুক্তিক সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। এছাড়াও এই তালিকায় লাবিয়া মুুরাহিত, আসিফ নজরুল, শফিকুল আলম, সৈয়দ রেজওয়ানা হাসান, লুতকে সিদ্দিকী সহ মোট ১১ জন মার্কিন নাগরিক রয়েছেন। আর এখান থেকে একটা বিষয় বলাই যায় এই মার্কিন নাগরিকরা নতুন পরিকল্পনা করে একটি দল গঠন করে বাংলাদেশকে নিজেদের হাতের মুঠোয় আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। আর তাদের সেই পরিকল্পনায় মদদ দিচ্ছে স্বয়ং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মোহাম্মদ ইউনুস। অর্থাৎ তাদের পরিকল্পনা মাপেক যদি সেনাপ্রধানকে নিকেশ করা সম্ভব হয় তবে ভবিষ্যতে মোহাম্মদ ইউনুস ক্ষমতায় থেকে দেশকে বিদেশীদের হাতে তুলে দেবে এ কথা বলাই বাহুল্য।












Discussion about this post