বাংলাদেশে আইন আদালত বলে আর কিছু আছে কিনা তাই নিয়েই প্রশ্ন উঠছে সাধারাণ মানুষ থেকে শুরু করে মু্ক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ্যে যারা তাদের মনে। যারা মু্ক্তি যুদ্ধকে সমর্থন করেন তারা অনেকেই বলছেন শুধু মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থনের কারণেই তাদের ফাঁসি দিয়ে দিতে পারে এই তদারকী সরকারের সময়কার আদালত। অবশ্য অনেকে বলছেন এখানে সরকারের দোষ নেই, যাকিছু সিদ্ধান্ত নিচ্ছে আদালত। কিন্তু হাসিনার সময়ও হাসিনাকে বলা হত তার নির্দেশেই নাকি বিচার প্রক্রিয়া চলত। তাহলে এখন যে সরকারটি আছে সেটি একটি অগনতান্ত্রিক অনির্বাচিত এবং মবের সরকার, তার আদালত এবং আইন ব্যবস্থা কেমন তা কি আর কারো বুঝতে বাকি আছে। ২৪এর যে গনঅভ্যুত্থান তা শুধু সরকারকেই পাল্টে দেয়নি, পাল্টে দিয়েছে বাংলাদেশের ইতিহাসকেও।
তাই যদি কেউ মুক্তিযুদ্ধকে মহান মুক্তিযুদ্ধ বলে সমর্থন করেন, তাহলে তার ফাঁসির মত সাজাও হয়ে যেতে পারে, কারণ যে বা যারা মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করবে সে আসলে রাজাকারদের বিরোধী। এবং বাংলাদেশের বর্তমান সরকার হল রাজাকারের সরকার। তাই পাকিস্তান নিয়ে কথা বললে সে যদি উপদেষ্টাও হন, তো তাকেও বিদায় নিতে হবে।যেমনটি হয়েছে জসিমুদ্দিন সাহেবের ক্ষেত্রে। যদিও তিনি বলেছেন তার ব্যক্তিগত কারণে তিনি তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছেন। এর আগে বাংলাদেশে আর কোন সরকার তার নিজের স্বার্থের জন্য এতটা র্নিলজ্জ্ব ভাবে দাবী দাওয়া আদায় করেছে। হয়তো ভবিষ্যতেও এই ইউনূস সাহেব ছাড়া আর কাউকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। আগামী ইতিহাসে কি এগুলিও লেখা হবে যে মহম্মদ ইউনূস কিভাবে তার নিজের স্বার্থকে চরিতার্থ করছেন, সে আদালত হোক বা নির্বাহী আদেশ, যাই হোক না কেন।
অবাক করা ঘটনা হচ্ছে যেখানে ছাত্রনেতারা ক্যামেরার সামনে বলছে যে তারা চক্রান্ত করেছে তারা পুলিশকে মেরেছে, তারা মেট্রো স্টেশন থেকে শুরু করে বিভিন্ন অফিস দফতরে ভাঙচুর এবং আগুন দিয়েছে। তার পরও যেগুলি ছাত্রনেতারা ঘটিয়েছে সেইগুলিও হাসিনা সরকার ঘটিয়েছে বলে চালানো হচ্ছে, এবং আওয়ামীলিগকে দায়ী করা হচ্ছে।অর্থাৎ আদালত যে শুধু সরকারী ইঙ্গিতে চলছে তাই নয়, আদালতে একটা বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরী হয়েছে। এখন আদালতেও মব চলছে, সেক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের যে সম্মান সেটি তো ভুলুন্ঠিত হয়ে গেছে বলে মনে করছেন দেশের অনেক দায়িত্বশীল নাগরিকও। বিচারপর্বটি সরাসরি টেলিভিশনে দেখানো নিয়েও অনেকে অনেক রকম মত প্রকাশ করেছেন। অনেকে বলছেন এর সুফলও আছে আবার এর খারাপদিকও আছে। এখানে যেমন দেখা যাচ্ছে যে বিচারকের উপর কোন চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে কিনা। আবার তেমন কোন কোন ধারা গুলি সরকারের পক্ষ থেকে হাসিনার আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে সেগুলি সাধারণ জনগন দেখতে পাচ্ছেন। অনেকে আবার কাজল ইসলাম যিনি এই কোর্টে রাজাকারদের উকিল ছিলেন তাকে চিফ প্রসিকিউটর বানানো নিয়েও অনেকে প্রশ্ন তুলছেন।












Discussion about this post