বাংলাদেশ এই মুহূর্তে বিশৃঙ্খল জায়গায় পৌঁছেছে। দেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হচ্ছে। কারণ মব কালচার অব্যাহত। থানায় আক্রমণ চলছে। পুলিশ ছাড়া একটা সমাজ কল্পনা করা যায় না। সেখানে তারা নিপীড়িত হলে সেটা খুবই দুঃখজনক। এখানে প্রশ্ন উঠছে, সরকার তো লাগাম টানছে না। উল্টে কিছুক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, মব বাহিনীর কথা মেনে নিচ্ছে সরকার। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে সরকার এবং মব বাহিনী কি চায়? এর মধ্যে দিয়েই অনেকে বলছেন, বাংলাদেশ ক্রমশ গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। কেউ কেউ আবার বলছেন, ৫ই অগাষ্ট শেখ হাসিনার খেলা শুরু হবে। অন্যদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ধমকের মুখে পড়তে হয়েছে ইউনূসকে। অর্থাৎ করিডোর, বন্দর নিয়ে ইউনূস সরকার ইতিবাচক হলেও আমেরিকা পুরোপুরি ইউনূসের পাশে নেই। বলছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।
বাংলাদেশে এই মুহূর্তে নির্বাচন সবথেকে বড় ইস্যু। আদেও কি নির্বাচন হবে? সবথেকে বড় প্রশ্ন এটাই। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহল বলছে, মোহাম্মদ ইউনুস নির্বাচন দিতে আসেননি। তিনি নির্বাচন দেবেন না। ক্ষমতার অলিন্দেই থেকে যেতে চান বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। আর সেই কারণেই সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে। ছাত্র নেতারা না বুঝলেও ইউনুস জানেন, এত সহজে সংস্কার সম্ভব নয়। জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ্যে আনাও অনেক বেশি চ্যালেঞ্জ। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে, যেভাবে দেশ বিপথে চালিত হচ্ছে, এবং বিশৃঙ্খল তৈরি করা হচ্ছে। তাতে এই ইসুগুলি আরো বেশি করে আওয়ামী লীগের পথ প্রশস্ত করে দিচ্ছে। অনেকে বলছেন, ৫ ই আগস্টের পর শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়াজ তুলবে। স্বমহিমায় ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালাবে। কারণ তার পিছনে আমেরিকা আছে, ভারত আছে, পশ্চিমা দেশ রয়েছে। এমনকি মার্কো রুবিও মহম্মদ ইউনূসকে ফোন করে নাকি ধমকেছে বলে খবর।
অর্থাৎ বন্দর এবং করিডোর ইস্যুতে আমেরিকার কাছাকাছি পৌঁছতে পারেনি বাংলাদেশ। সেটা প্রায়ই প্রমাণিত। এদিকে নির্বাচন দিতে না পারলে দেশে তার বিরোধিতা বাড়বে। অর্থাৎ বাংলাদেশেই গৃহযুদ্ধ দেখা দিতে পারে। বলছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে ছাত্রনেতারা বা মাহফুজ আলমের মত উপদেষ্টারা কথায় কথায় বলছেন, এই জুলাই অভ্যুত্থান মেটিকুলাস ডিজাইন। এবং একাত্তরের সঙ্গে তুলনা টানছেন তিনি। ফলে এটা নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্রদের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন যদি ধরেও নেওয়া যায়, তবে কিভাবে একাত্তরে যুদ্ধের সঙ্গে তারা মিলিয়ে দিতে চাইছে? আর এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ বিশৃংখল জায়গায় পৌঁছবে। আর এদিকে শেখ হাসিনার ফেরার রাস্তা তৈরি হবে। বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।











Discussion about this post