বাংলাদেশ বায়ুসেনার F7 যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ে ২৮ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। আহত হয়েছেন বহু। যাদের চিকিৎসা চলছে। তবে কেন এই বিমান ভেঙে পড়ল? এর দায় কার? সেনাপ্রধান ও সেনাবাহিনীকে কাঠগড়ায় তুলছেন অনেকে। এদিকে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। ভারতের আক্রমণ থেকে বাঁচতেই এই বিমান দুর্ঘটনা। একেবারেই মেটিকুলাস ডিজাইন বলে উল্লেখ করছেন বিশেষজ্ঞরা। অর্থাৎ ভয়ংকর একটি তথ্য ফাঁস হয়ে গেল ইউনুস সরকারের।
জানা গিয়েছে, এই বিমানটি একটি যুদ্ধ বিমান। যা চীনের তৈরি। এটা প্রশিক্ষণের জন্যই ব্যবহার করা হয় বলে জানানো হয়েছে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে। ওই বিমানে থাকা পাইলট তৌকির ইসলামও মৃত্যু হয়েছে। এতগুলো ছাত্রের মৃত্যুতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন তাদের পরিবার পরিজনরা। কোনভাবেই লাগাম টানা যাচ্ছে না এই পরিস্থিতি। এদিকে মঙ্গলবার গোটা দেশ জুড়ে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। কিন্তু এর দায় এড়িয়ে গেলে চলবে না। সেনাবাহিনী এবং সরকারকে নিতে হবে। এদিকে একটি খবর সামনে এসেছে। জানা যায়, আইএসআইয়ের কাছে খবর ছিল ভারত যেকোনও দিন আক্রমণ করতে পারে। এক্ষেত্রে আক্রমণ প্রতিরোধের উপায় কি? এমন কিছু করতে হবে, যাতে ভারত আর আক্রমণ করতে না পারে। ফলে তারা নাকি এই যুদ্ধ বিমান উড়িয়েছিল। এবং সেটি যে এইভাবে একটি স্কুলের উপর পড়বে, বুঝতে পারেনি তারা। এই পরিকল্পনা ছিল আইএসআইয়ের। যেটা করেছে সেনাবাহিনী। এবং সেটা জানে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।কারণ ওই দুর্ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই ফায়ার ব্রিগেডের আগেই পৌঁছে যায় সেনাবাহিনী। এত তাড়াতাড়ি খবর পেল কি করে তারা? এমন প্রশ্ন উঠছে। ফলে মেতিকুলাস ডিজাইন সেটা স্পষ্ট। আর এই পরিস্থিতিতে বাইরের কোনও দেশ যে আক্রমণ চালাবে না, সেটাও স্পষ্ট। ফলে ভয়ংকর খেলায় মেতেছেন মহম্মদ ইউনূস। যেটা হয়তো আন্দাজ করতে পারছেন বাংলাদেশের মানুষও। সেই কারণেই শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমেছেন। চলছে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ। সচিবালয়ের ভিতর ঢুকে তাদের আন্দোলন চালাচ্ছে। যেটা আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খাচ্ছে। শুধু তাই নয়, সরকারের বিরুদ্ধে এবং সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছে তারা। ফলে পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
কেউ কেউ বলছেন, মেটিকুলাস ডিজাইন করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন তৈরি হয়ে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটেছিল। এবং মহম্মদ ইউনূস সিংহাসনে বসে ছিলেন। এবার তিনি মেটিকুলাস ডিজাইন করে দুর্ঘটনা ঘটালেও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন তাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে। ফলে সেই দিন যে এগিয়ে আসছে, সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।












Discussion about this post