ত্রিপুরা সীমান্তে বিএসএফের একশন নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। ফের বিএসএফকে গুলি চালাতে বাধ্য করা হয়। কারণ বিএসএফ আটক করতেই তাদের উপর আক্রমণ চালানো হয়। আর তাতেই গুলি চালাতে বাধ্য হয় বিএসএফ। অনেকে বলছেন, এর সরাসরি মদদদাতা মহম্মদ ইউনূস এবং দেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামানের বাহিনী বিজিবি।
আমেরিকায় হিউম্যান রাইটস ওয়াচ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতকে নিয়ে। অর্থাৎ তারা বোঝাতে চাইছে, ভারত কতটা খারাপ। অনুপ্রবেশকারীদের উপর গুলি চালায়। এবং মুসলিমদের বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এবং ভারত নাকি মানবতার খাতিরে বাংলাদেশিদের একফোঁটা ছাড় দিচ্ছে না। শুধু তাই নয়, সীমান্তে বিএসএফের বিরুদ্ধে গুলি চালানো নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে তুলে ধরার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। ত্রিপুরা সীমান্তে বাংলাদেশের ১০ থেকে ১২ জন ভারতে ঢোকার চেষ্টা করলেন। বাংলাদেশের ফেনী অঞ্চল থেকে তারা ভারতে বেশি করে ঢোকার চেষ্টা করে। কিন্তু বিজিবির কোনও মাথাব্যথা নেই। এদিকে ওই ১০ থেকে ১২ জনের থেকে যৌন উত্তেজক ওষুধ পাওয়া গিয়েছে। প্রশ্ন উঠে, হঠাৎ এই ধরনের ওষুধ কেন ভারতে ঢোকানোর চেষ্টা করছে? এখনও পর্যন্ত যে অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়েছে, তাদের থেকে সোনা, রুপো কিংবা গরু পাচারকারী। কিন্তু এই ধরনের ওষুধ পাওয়া যায়নি। এমনকি যে সমস্ত বিএসএফ আধিকারিকরা অনুপ্রবেশকারীদের আটক করে, তাদের উপর পাথর ছোরা হয়। তারপরই বিএসএফের তরফে গুলি চালানো হলে তিন জনের গায়ে গুলি লাগ। একজনের নাম মহম্মদ মিল্লাত হোসেন, মহম্মদ আফছার, মহম্মদ লিটন।
প্রশ্ন উঠে, বাংলাদশের সীমান্তে বিজিবি থাকার পরও কিভাবে তারা অনুপ্রবেশ করতে পারে? বিজিবি ঠিক মত দায়িত্ব পালন করছে না, নাকি তাদের এমনই নির্দেশ দেওয়া রয়েছে? যাতে অনুপ্রবেশকারীরা যাতে অবাধে ভারতে প্রবেশ করতে পারে? এমনকি শুধু সাধারণ কোনও মানুষ নয়, রুপা পাচারকারী, সোনা পাচারকারী, আবার কখনও গরু পাচারকারী। আর আসছে ভারতে অন্যায় কার্যকলাপ চালাবে বলে। তবে বিএসএফ থাকতে সেটা কোনওভাবেই সম্ভব নয়।












Discussion about this post