ভারত অনুপ্রবেশ রুখতে এবং দেশে অনুপ্রবেশ শূন্য করতে উদ্দ্যেগ গ্রহণ করেছে। ভারতের পুশ ইনে নাজেহাল হয়েছে বাংলাদেশ। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই নিয়ে একাধিকবার চিঠি লিখেছে নয়া দিল্লিকে। কিন্তু কোনও সদুত্তর আসেনি নয়া দিল্লির তরফে। এবার হাসিনা প্রসঙ্গে পুশ নিয়ে প্রশ্ন করল বিএনপি। ভারতকে প্রশ্নের মুখে ফেলল বাংলাদেশ।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য। গত বছর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া শেখ হাসিনাকে কেন দেশটি পুশ ইন করছে না, এমনই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সোমবার ঢাকার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিউল বারী বাবুর পঞ্চম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি।
অন্যদিকে রুহুল কবির রিজভী বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরাতে বহু বাঙালি বাস করে এবং মুসলমান ধর্ম অনুসারী বহু বাঙালি রয়েছে। আমাদের জাতীয়তা পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। আমাদের ভাষা বাংলা, কালচার বাংলা । বাঙালি কালচার কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ অর্থাৎ ভারত বসবাসকারি বাঙালি মুসলমান তো অনেকে আছেন। তাদের জোর করে পুশইন করা হচ্ছে। শেখ হাসিনাও তো বাঙালি মুসলমান, বাংলাদেশের মানুষ, তাকে পুশইন করছেন না কেন? যে সমস্ত দুর্বৃত্তরা পালিয়ে গেছে ভারতে, তাদেরকে তো পুশইন করছেন না।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, বাংলাদেশে ভারত তাদের পছন্দের সরকার চায়। সেই সরকারকে বাংলাদেশের মানুষ পছন্দ করুক আর না করুক। তাতে কোনও যায় আসে না। তাদের মনোনীত ব্যক্তি থাকতে হবে। এমনকি তিনি বলেন, যারা প্রভুত্বকারী দেশ, যারা সাম্রাজ্যবাদী দেশ তারা। যখন অন্য দেশকে দখল করতে চায় বা প্রভাব বিস্তার করতে চায়, শেখ হাসিনা ছিল সেই প্রতিভু। এই কারণেই তাদের মন খারাপ।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল বা বিএনপির নামে যদি কেউ অন্যায় করে, অপকর্ম করে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছি পুলিসকে।
স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীর সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসানের পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু সহ অন্যান্যরা। এখন দেখার, যে প্রশ্ন তোলা হল বিএনপির পক্ষ থেকে, তাতে ভারত কি প্রতিক্রিয়া দেয় বা আদেও দেয় কিনা।












Discussion about this post