২৬ জুলাই দিল্লিতে শেখ হাসিনা দলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন। এই বৈঠকের আলোচনা হয়েছে, একটি নির্বাসিত সরকার গঠন করার। অনেকে এই সরকারকে প্রবাসী সরকার বলে থাকে। বাংলাদেশে এর আগে এমন ঘটনা ঘটেছে। ১৯৭১ সালে নির্বাসিত সরকার গঠন করেন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। সেই সরকারকে সমর্থন করেছিল ভারত সরকার। খাদ্য, আশ্রয়, অর্থ দিয়ে সর্বত্রভাবে সাহায্য করেছিল ভারত। এমনকি সামরিক সাহায্য করেছিল তৎকালীন ভারত সরকার। যে কারণে পাকিস্তান পরাজয় মানে। এমনকি শোনা যায়, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী পরামর্শ দিয়েছিলেন, নির্বাসিত সরকার গঠনে। তারপর সরকার গঠিত হয়। আর এর আঁচ পেতেই ঘুম উড়েছে ইউনূস এবং ওয়াকারের।
তবে এই মুহূর্তে শেখ হাসিনা নির্বাসিত সরকার গঠন করতে দেরি করছেন। কারণ তিনি জানেন, এই সরকার গঠন করা হলে দেশ গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। সেটা তিনি চান না। তাই তিনি অপেক্ষা করছেন। যদি ভারতে থেকে শেখ হাসিনা নির্বাসিত সরকার গঠন করতে চায়, তবে নিশ্চিতভাবে সামরিক দিক থেকে সাহায্য করবে ভারত। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, বেশ কয়েকদিনের মধ্যেই নির্বাচনের ঘোষণা দেবেন। এটা কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয়। বলছে ওয়াকিবহাল মহল। এবং সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার উজ জামান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কথা বলা শুরু করেছেন, ইউনূসকে সরিয়ে দেশে জরুরি ভিত্তিক পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য। এই মুহূর্তে যেভাবে দেশ চলছে, তাতে এই সরকারের পতন ঘটবে। এমনকি খবর রয়েছে, পাকিস্তানি বিমান বাংলাদেশে ঘাটি গেড়ে রয়েছে। যে কোনও মুহূর্তে ইউনূস এবং তার উপদেষ্টাদের নিয়ে চলে যাবে। আর যদি সেটি না হয়, তিন হাসিনার পরিকল্পনা মতোই হতে পারে। এমনকি অগাস্টের ১৫ তারিখের মধ্যেই বর্তমান শাসনে আমূল পরিবর্তন হবে। এটা হলেই গৃহযুদ্ধ থেকে রক্ষা পাবে দেশ। বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এমনিতেই শোনা যাচ্ছে, ইউনূস প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৮ ই আগস্ট পর্যন্ত জরুরি সতর্কতা জারি করা হয়েছে। অর্থাৎ মহম্মদ ইউনূস বুঝে গিয়েছেন, খুব শীগ্রই ফিরতে চলেছেন শেখ হাসিনা। কারণ এর আগেও ফিনিক্স পাখির মতো হাজির হয়েছিলেন হাসিনা। তাই হাসিনাকে হালকাভাবে নিচ্ছে না সরকার। অর্থাৎ আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বাংলাদেশে আমূল পরিবর্তন হতে চলেছে।












Discussion about this post