বড় কিছু একটা ঘটতে চলেছে বাংলাদেশে। সেটা আন্দাজ করা যায়। কারণ যেভাবে উচ্চ স্তরে বৈঠক এবং আলোচনা। তাতে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যে কোনও মুহূর্তে বড় খবর আসতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে, ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল এবং সিডিএস অনিল চৌহান সহ প্রায় ১১ জন শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন। প্রায় ৪৫ মিনিট কথা হয়েছে বলে খবর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশেই এই বৈঠক বলে জানা যাচ্ছে। এদিকে সব খবরই পাচ্ছে, মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। তাদের ডিজিএফআই বা গোয়েন্দা সংস্থা আওয়ামী লীগের আশঙ্কায় সারাদেশে সতর্কতা অবলম্বন করেছে। আওয়ামী লীগের অস্তিত্ব সরকার বা ছাত্রনেতারা স্বীকার করতে চায় না। তবে হঠাৎ সর্তকতা কেন? এই প্রশ্ন উঠে যাচ্ছে।
গোপালগঞ্জের ঘটনার পর এনসিপির নেতারা যেখানেই সভা করতে যাচ্ছে, সেখানে আওয়ামী লীগ বা যুবলীগ বা কখনো বিএনপি’র ভয়ে তারা পালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের রক্ষা করছে সেনাবাহিনী এবং পুলিশ। ফলে চরম খারাপ পরিস্থিতি এনসিপির। অন্যদিকে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে কি আলোচনা হল, সেটা প্রকাশ্যে আসেনি। তবে জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপর আস্থা নেই ভারতের সেনাবাহিনীর। এদিকে বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে না আইন উপদেষ্টা এবং প্রেস সচিব শফিকুল আলমকে। কোথায় গেলেন তারা? অনেকে বলছেন, প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস বিপদে পড়েছে দেখেই পড়াতে শুরু করেছে উপদেষ্টারা। তাই তাদের দেখা যাচ্ছে না। কিন্তু কোথায় তারা পালিয়ে বাঁচবেন, সেই প্রশ্নই উঠছে বাংলাদেশে।
অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কিছুদিন আগেই মন্তব্য করেছেন, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ একযোগে কাজ করবে জঙ্গি দমনে। যেটা হাস্যকর বলে অনেকে উল্লেখ করেছেন। ওয়াকিবহল মহল বলছে, কোনও দেশ থেকে সাহায্য পাচ্ছে না বাংলাদেশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে করিডোর, বন্দর ইস্যুতে। এমনকি খবর এসেছে, সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার নিয়ে সরব হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন পরিচালিত সংস্থা। ফলে ইউনূসের পরিস্থিতি অত্যন্ত শোচনীয় বলে উল্লেখ করছেন অনেকে। তারমধ্যে শেখ হাসিনা অডিও ছেড়ে ভিডিও বার্তা দেবেন বলে বলা হচ্ছে।ভারতে থেকে সংগঠন মজবুতের কাজ যে শেখ হাসিনা চালিয়ে যাচ্ছেন, সেটা বলাই বাহুল্য। এমনকি আওয়ামীলীগ নেতৃত্বকে সংগঠিত করছেন তিনি। তার মধ্যেই অজিত ডোভাল সহ অনীল চৌহানরা দেখা করলেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। এখন দেখার, কোনও সিদ্ধান্ত সামনে আসে কিনা।












Discussion about this post