পদ্মাপাড়ে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন এবং জঙ্গিবাদ বেড়েই চলেছে। কিন্তু লাগাম টানছে না ইউনূস সরকার। এবার ট্রাম্প প্রশাসনের পরিচালিত সংস্থার তরফে সামনে এল অভিযোগ। এবার কি করবেন প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস?
গত বছর গণ অভ্যুত্থানের সময় বাংলাদেশের ১৭ টি কারাগারে হামলা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৭৯ জন অপরাধী পালিয়ে গিয়েছিল। তাদের মধ্যে আবার ৯ জন সাজাপ্রাপ্ত জঙ্গি ছিল। অন্যদিকে মালয়েশিয়ার পুলিশ সম্প্রতি বাংলাদেশের ৩৫ জনকে গ্রেফতার করেছে। যাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠীর যোগসাজশ রয়েছে। জানা যায়, গত ১০ ই জুলাই স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে তার দফতরে বৈঠক করেন মার্কিন দূতাবাস। ওই বৈঠকে বেশ কিছু নাম দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে করা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। কিন্তু স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জঙ্গি দেখতে পারছেন না। তারা ধরবেন কি করে। এদিকে পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে গ্রেফতার হয় শামীম। তাকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানা যায়।২০১৮ সাল থেকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলি এই শামীম কে নজরদারিতে রেখেছে। ২০১৪ সাল থেকে এই নিয়ে তিনি চারবার গ্রেফতার হয়েছেন।
অন্যদিকে পদ্মাপাড়ে যে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার চলছে, সেটা প্রমাণিত হল। এমনকি এই খবর বিশ্ব দরবারে ছড়িয়ে পড়াতে ভারতকে দায়ী করা হয়েছিল। এদিকে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের ছবি চাক্ষুষ করবে গোটা বিশ্ব। ফের কিছু সন্ত্রাসবাদী বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে, ভাংচুর করে শেষ করে দিয়েছে। ফেসবুকে কেউ একজন পোস্ট করেছেন। সেই পোস্টের জবাবে বাংলাদেশে কিছু ধর্মপ্রাণ সন্ত্রাসবাদী মানুষ আইন হাতে তুলে নিলেন। পুলিশ দাঁড়িয়ে দেখল। সেনাবাহিনী কিচ্ছু করতে পারেনি। শনিবার ২০ টি বাড়ি পুরো ধ্বংস করা হল। পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে দেখল। রবিবার ফের একই ঘটনা রংপুরে। গানগাছড়া এলাকায় প্রায় ২৫০০ মানুষের বাস। সেখানে তাদের বাড়ি ঘর সব ভাংচুর করা হয়েছে। সোমবার বিকেল পর্যন্ত আলদাতপুরে হিন্দু পল্লি-সহ আশপাশের অন্তত ১০০টি সংখ্যালঘু পরিবার ভয়ে বাড়ি ছেড়ে গিয়েছেন। তাদের পাশে নেই সরকার। নেই প্রশাসন। মুখে কুলুপ এঁটেছেন সেনাপ্রধান।
মহম্মদ ইউনূসের সরকার সংখ্যালঘুদে জীবন নিয়ে ছেলেখেলা করছে। ঠিক যেমনটা বলছে ট্রাম্পের সংস্থা। আসলে জানা যাচ্ছে, আমেরিকার আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক কমিশন বা ইউনাইটেড স্টেটস কমিশন অন ইন্টারন্যাশনাল রিলিজিয়াস ফ্রিডম এর পক্ষ থেকে ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। গত শনিবার একটি রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার এবং মানুষের মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশকে সতর্ক করা হয়েছে জঙ্গি ও সংখ্যালঘু নির্যাতন দমনে।












Discussion about this post