লোকসভাতে দাঁড়িয়ে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বললেন, অনুপ্রবেশ রুখতে প্রয়োজনে এনকাউন্টার চালানো হবে। আর এদিকে ঘুম উড়েছে মহম্মদ ইউনূসের। অর্থাৎ অনেকে বলছেন, এবার বিএসএফ এবং সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত সরকারি আধিকারিকরা যে অনুমতি পেয়ে গেল, সেটা বলাই যায়। ভারত অনুপ্রবেশ রুখতে প্রবলভাবে যে সচেষ্ট সেটা শুধু ভারত বা বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আলোচিত হচ্ছে। এমনি বাংলাদেশের তরফে একটি প্রেস বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে ভারতকে আক্রমণাত্বক কথা বলেছে বাংলদেশে। বিজিবির তরফে বলা হয়েছে, পিঠ দেখানোর দিন শেষ। বিএসএফ গুলি চালালে পাল্টা তারা একশন নেবে। এটাই বলতে চেয়েছেন তারা। এদিকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলছেন, বাংলাদেশ থেকে নাকি অনুপ্রবেশ ঘটছে না। তবে ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এবার এনকাউন্টার করা হবে। অন্যদিকে আমেরিকা বারবার বলছে, বিএসএফ সীমান্তে আগ্রাসী হয়ে উঠছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ লিখছে, ভারত বেছে বেছে মুসলিমদের বাংলাদেশে পাঠাচ্ছে। এমনকি বাংলাদেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস বলছেন, অনুপ্রবেশ ইস্যু নাকি কিছুই নয়। সবটা ভারত ইচ্ছে করে করছে।
কিন্তু বারেবারে দেখা গিয়েছে, সীমান্তবর্তী এলাকাতে কিভাবে অনুপ্রবেশ ঢুকছে বাংলাদেশে। এবং ভারতের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী আটকাতে গেলেই তারা উল্টে আক্রমণ চালাচ্ছে। এদিকে পাল্টা আক্রমণ বিএসএফ চালালেই সেটা নিয়ে বাংলাদেশ কাটগড়ায় চলছে ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীকে। এবং তাদেরকে দোষারোপ করা হচ্ছে। যদিও ভারত সরকারের পক্ষ থেকে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিএসএফের গায়ে ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ভারত সরকার। এর জেরে প্রত্যেকটি প্রমাণ থাকবে বিএসএফের কাছে। এবং তথ্যের খাতিরে সেই প্রমাণ তুলে দেওয়া হবে বিজিবির কাছে। ফলে অনুপ্রবেশ আটকানো যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়ে দিয়েছেন, পরিস্থিতি জটিল হলে এনকাউন্টার করা হবে। অর্থাৎ কোনভাবেই অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করবে না ভারত। আর সেটা মানতে হবে বাংলাদেশকে। এবং তাদের সরকারকে লাগাম টানতে হবে।












Discussion about this post