২০২৪ এর গণ অভ্যুত্থানের নায়করা নিজেদের মধ্যেই কোন্দল তৈরি করে, মানুষের মন থেকে আস্থা হারাচ্ছে। চাঁদাবাজি, দুর্নীতি এবং ভাগ বাটোয়ারাতে নিজেদের মধ্যেই কলহ তৈরি করছে। অন্যদিকে আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া ও তার বাবাকে নিয়ে করা একটি প্রতিবেদন হইচই ফেলেছে বাংলাদেশ জুড়ে। আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার বাবার বিরুদ্ধে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়া করার অভিযোগ ওঠে। কুমিল্লার মুরদনগরের বাসিন্দা রিক্তা আক্তার, শিখা রানী, মোহাম্মদ আলী-সহ স্থানীয় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, দলীয় পরিচয় ও ক্ষমতার ছত্রছায়ায় আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। এমনকি বিবস্ত্র করে নিগ্রহের অভিযোগও ওঠে। এদিকে এনসিপির নেতারা অভিযোগ তুলেছে, যেহেতু ইসরাক হোসেন মেয়র হতে পারেননি আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়ার কারণে, সেই জায়গা থেকেই ইসরাক এটি করিয়েছেন বলে অভিযোগ। কারণ তিনি বাংলাদেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে রয়েছেন। কিন্তু এনসিপি কেন আসিফ মাহমুদের বিষয়ে কথা বলেন? এর আগেও তারা মেয়র পদ নিয়ে মন্তব্য করেছে ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে। আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া তো সরকারী উপদেষ্টা। তার সঙ্গে নাকি এনসিপির কোনও সম্পর্ক নেই। তাহলে তারা কেন এই বিষয়ে কথা বলল? এদিকে আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া নিজের ফেসবুকে অভিযোগ তুলেছেন যে, ইশরাক হোসেন তার ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে।
এদিকে মাহফুজ আলম তার বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়াতে তার ভাই এর অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক লেনদেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠে এসেছে। সেটিকে চ্যালেঞ্জ করেছেন মাহফুজ আলম। অর্থাৎ নিজেদের মধ্যেই দ্বন্দ্ব তৈরি হচ্ছে। মাহফুজ আলম বলছেন, আজকাল অনেকের লেজকাটা যাচ্ছে বলে আমার বিরুদ্ধে লেগেছে। এদের মধ্যে রয়েছে নতুন দলের কয়েকজন মহারথী। অর্থাৎ তিনি এনসিপির কথায় বলছেন। তিনি আরো বলছেন, সমস্ত কিছু প্রকাশ পাবে। একটা সার্কেলের প্রায় সবাই দুর্নীতিগ্রস্থ। অর্থাৎ এক সময় যাদের সঙ্গে তিনি লড়াই করেছেন, তাদের বিরুদ্ধেই ব্যাট ধরেছেন তিনি। এখানেই রাজনীতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজেরা দুর্নীতি করবে এবং তাদেরই লোকেরা প্রশ্ন করবে। আর তাতেই কোন্দল শুরু হবে। এবং সেটা শুরু হয়ে গিয়েছে। সেটাই রাজনৈতিক দলের পতনের কারণ হবে। মত ওয়াকিবহাল মহলের।












Discussion about this post