অপারেশন সিঁদুর নিয়ে এখন প্রবলভাবে আলোচনা চলছে। রাজ্যসভা থেকে লোকসভাতে সিঁদুর নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। লোকসভায় সিঁদুর নিয়ে আলোচনায় একটি প্রশ্ন উঠে এসেছিল বিরোধীদের তরফ থেকে। বাংলাদেশে এত হিন্দু নির্যাতন হচ্ছে, এত সন্ত্রাসবাদ মাথাচারা দিচ্ছে, ভারত কি করছে? এক্ষেত্রে বিদেশমন্ত্রী এস জয় শঙ্কর বলেছেন, খুব শীগ্রই বাংলাদেশ সমস্যা সমাধান হবে। তবে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার কথা নিশ্চিত করলেন তিনি? এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে তুলোধোনা করেছেন। রাহুল গান্ধী বলেছেন, অন্তত ২৯ বার ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভারত পাকিস্তানের সংঘর্ষ তিনি থামিয়েছেন ট্রেডের ভয় দেখিয়ে। এই ব্যাপারে আপনি কিছু বলছেন না কেন? জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, সিঁদুর ভাষ্যে ট্রাম্প এর নাম নেই। ভারতবর্ষের উপর কোনও চাপ ছিল না। যখন পাকিস্তান পারে উঠছিল না, তখন পাকিস্তানের ডিজেএমও এর তরফে ফোন এসেছিল ভারতের ডিজেএমও এর কাছে। তার আগে ৯ তারিখ জেডি ভান্স ফোন করেছিলেন। তিনি বলেন, ভারতবর্ষের উপর বড় আক্রমণের পরিকল্পনা করছে পাকিস্তান। কিন্তু তাতে দমেনি ভারত। এদিকে রাহুল গান্ধী বলছেন, প্যাহেলগাওয়ের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর হাতে লেগেছিল নিরীহদের রক্ত। তাই তার ভাবমূর্তি রক্ষায় অপারেশন সিঁদুর। তখন প্রধানমন্ত্রী জানান, কোনও দেশের নেতাই ভারতকে অপারেশন সিঁদুর রোখার পরামর্শ দেননি। এমনকি তিনি আরও বলেন, অনেক কিছুই ঘটেছে আপনাদের রাজত্বকালে। তখন কেন কোনও ব্যবস্থা নেননি? অর্থাৎ সরগরম লোকসভা।
অন্যদিকে রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং বা র-এর ডিরেক্টর পরাগ জৈন আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিলেন। এর আগে ছিলেন রবি সিনহা। এদিকে দায়িত্ব নেওয়ার পর পরাগ জৈন জানিয়েছেন, খুব শীগ্রই পরিবর্তন হবে। এমনকি আওয়ামী লীগ ঘুরে দাঁড়াবে। সেই প্রেক্ষাপট তৈরি হয়ে গিয়েছে। কিছুদিনের মধ্যেই শহর দখল করবে তারা। এমনকি তিনি জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশে র সফলতার সঙ্গে কাজ করছে।
এদিকে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন বেড়েই চলেছে। শুধু তাই নয়, রংপুর থেকে বিভিন্ন জায়গার যে ছবির সামনে আসছে, তা অত্যন্ত ভয়াবহ। এদিকে এনসিপি মুখ থুবড়ে পড়েছে। যেখানেই তারা সভা করছে, সেখানেই সাধারণ মানুষের তারা খাচ্ছে তারা। চাঁদাবাজি এবং দুর্নীতিতে ডুব দিয়েছে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূসের স্নেহধন্য রাজনৈতিক দল এমসিপির নেতারা। ফলে আওয়ামী লীগ এই সময়টাকে যদি কাজে লাগায়, তবে পরিস্থিতি আয়ত্তে আসতে পারে বলে মত রাজনৈতিক ওয়াকিবহাল মহলের। যদিও শেখ হাসিনা বৈঠক করছেন, নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার চেষ্টা করছেন। এখন দেখার, বাংলাদেশের সুদিন কবে ফেরে।












Discussion about this post