শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী মামলা শুরু হয়েছে। শুরুতেই তাকে সমস্ত অপরাধের নিউক্লিয়াস বলে চিহ্নিত করেছেন সরকারি আইনজীবী মহম্মদ তাজুল ইসলাম। রবিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক নং এজলাসে মামলা শুরু হয় বলে জানা যায়। চিফ প্রসিকিউটর মহম্মদ তাজুল ইসলাম শুরুতেই বলেন, শেখ হাসিনা হল সব অপরাধের নিউক্লিয়াস। তার আগে ট্রাইব্যুনালে মামলার বিষয় বক্তব্য পেশ করে অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, এই মামলার আসামিদের প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ সাজা চাই। প্রশ্ন, এত তারা কিসের মহম্মদ ইউনূসের? তবে কি শেখ হাসিনা আর ফিরতে পারবেন না? বিচার ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে সেই ব্যবস্থায় কি করছেন ইউনূস?
গত বছর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে দেশ ছেড়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আগে তার জমানাতে ঘটেছে মানবতাবিরোধী ঘটনা। আর তাতেই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। তিন শুধু শেখ হাসিনা নয়, তার সঙ্গে আরও দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং পুলিশের মহা পরিদর্শক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।
শুনানি শুরু হওয়ার আগে সমস্ত নথি পত্র নিয়ে আদালতে প্রবেশ করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহমেদ। উপস্থিত হয়েছিলেন শেখ হাসিনার পক্ষে রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী
আমির হোসেন। এদিন আদালত কক্ষে চিফ প্রসিকিউটর মহম্মদ তাজুল ইসলাম কি বিষয় উত্থাপন করলেন শুনুন
অন্যদিকে অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ আসাদুজ্জামান তিনিও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরেছেন আদালত কক্ষে। শুনুন তার বক্তব্য
যেভাবে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একের পর এক তথ্য তুলে ধরা হচ্ছে, তাতে কি শেখ হাসিনা দেশে ফিরতে পারবেন? এই প্রশ্নটাই উঠছে। অন্যদিকে হাসিনার বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী করা হয়েছে প্রাক্তন প্রাক্তন আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। তবে আদালত সূত্রের খবর, আদালতে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রথম সাক্ষী খোকন চন্দ্র বর্মন। তিনি ঢাকার একজন মাইক্রোবাস চালক। প্রথম সাক্ষী কে হাসিনার পক্ষের আইনজীবী আমির হোসেন প্রশ্ন করলেই কিছু ক্ষেত্রে অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছিল। অর্থাৎ প্রথম সাক্ষীর ক্ষেত্রেই হোঁচট খেতে হয়েছে সরকার পক্ষকে। তাহলে এখনো শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে তেমন কোনও তথ্য প্রমাণ এখনও উঠে আসেনি বলে মত বিশেষজ্ঞদের।












Discussion about this post