হাই এলার্ট জারি করা হয়েছে কলকাতা সহ সেভেন সিস্টার্সকে। স্বাধীনতা দিবসের দিন বড়সড় হামলার ছক করছে বাংলাদেশে বসে থাকা জঙ্গিরা। এমনটাই ভয়ংকর খবর সামনে এসেছে। এই রিপোর্ট সামনে নিয়ে এসেছে একাধিক সংবাদপত্র। এমনিতেই ভারত অনুপ্রবেশ নিয়ে যথেষ্ট করা পদক্ষেপ করছে। এবার কারা এই নাশকতার ছক কষছে? পুরো তথ্য সামনে এনেছে ভারতীয় গোয়েন্দা দফতর।
জানা যাচ্ছে, প্রত্যেকটি গোয়েন্দা দপ্তর সচেতন থাকার বার্তা দিচ্ছে। এমন কি বলা হচ্ছে স্বাধীনতা দিবসের দিন পাকিস্তানের আইএসআই বাংলাদেশের জঙ্গিকে কাজে লাগিয়ে নাশকতা তৈরির ছক কষছে। অর্থাৎ গত কয়েক মাসে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস যে গোপন বৈঠকগুলি করেছেন, এটা তারই ফলস্বরূপ। আর সেই খবর প্রকাশ্যে আছে, হাই এলার্ট জাতি করা হয়েছে কলকাতার সহ বাংলার একাধিক জায়গায় এবং সেভেন সিস্টার্স অর্থাৎ উত্তর-পূর্ব অঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যে।
স্বাধীনতা দিবসের আগে বড় সতর্কবার্তা দিল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো বা আইবি। গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে খবর, বেশ কয়েকটি জঙ্গি গোষ্ঠী ভারতের বিভিন্ন অংশে হামলা চালানোর চেষ্টা করতে পারে। এই নিয়ে অ্যালার্টও জারি করেছে আইবি। উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি এবং পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এমনকি বাংলাদেশ থেকে হামলা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে যেহেতু জানানো হয়েছে। এবং সেটা স্বাধীনতা দিবসের দিন বা তার আগে, তাই হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এখানে বেশ কিছু জঙ্গি সংগঠন গুলির নাম উঠেছে। যেমন জামাতি ই ইসলামী, জামাতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ। যে সংগঠনগুলি ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর বেশি করে মাথা চারা দিয়ে উঠেছে। এমনকি আরও একটি সংগঠনের নাম উঠে এসেছ। সেটা হল আনসাউল্লাহ বাংলা টিম। যে সংগঠনের প্রধান নেতা কে ইউনুস প্রথমে ক্ষমতায় এসেই জেল থেকে মুক্তি দেয়। তিনি মুক্তি পাওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ কথা বলেন ভিডিওর মাধ্যমে। তারাই এখন স্বাধীনতা দিবসের দিন ভারতবর্ষের বিভিন্ন জায়গায় হামলা করার ছক কষছে। যার নেতৃত্ব দিচ্ছে পাকিস্তানের আইএসআই। অর্থাৎ পাকিস্তান চাইছে এবার উত্তর-পূর্ব ভারতকে অশান্ত করতে।
সেটা অবশ্য আগেই বুঝেছিল ভারত। কারণ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ভারত যদি পাকিস্তানকে আক্রমণ করতে পারে তবে পাকিস্তানের চুপ করে বসে থাকবে না। ভারতের পূর্ব দিক থেকে আক্রমণ শানাবে পাকিস্তান। অর্থাৎ তারা যে বাংলাদেশের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে ভারতের দিকে হামলা চালাবে সেটা বুঝতে অসুবিধা হয়নি, প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের।
ফলে ভারত একদমই অতি সক্রিয় হয়ে রয়েছে। এবং হাই এলার্ট জারি করা হয়েছে সম্ভাব্য এলাকাগুলিতে।












Discussion about this post