শেখ হাসিনা সরকারকে তারা উৎখাত করেছিল। তাদের দাবি, সাধারণ জনগণ ও ছাএদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকে মানুষ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন করে তুলেছে। কিন্তু শেখ হাসিনা দাবি করেন, তার সরকারকে ষড়যন্ত্র করেই পতন ঘটানো হয়েছে। এদিকে তালগোলে মানুষকে ভুল বুঝিয়ে একটি সরকার গঠন করা হয়েছে। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ছত্রছায়ায় একটি রাজনৈতিক দিল গঠন করেছে সারজিস আলম, নাহিদ ইসলামরা। এরপরই বেপরোয়া হয়ে গোটা বাংলাদেশে অরাজকতা সৃষ্টি করছে তারা। এমনটাই অভিযোগ। এবার সারজিস আলমের বিরুদ্ধে দায়ের হল মামলা। হাসিনাকে বিপদে ফেলে গজিয়ে ওঠা ‘ছাত্রদল’ বিপদে মামলার জালে পেঁচিয়ে সারজিস আলম।
সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যায় বিএনপিকে জড়িয়ে অপপ্রচার করায় জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা সারজিস আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ অংশ হয়। এমনকি আদালতে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন এক বিএনপি নেতা। মঙ্গলবার গাজীপুর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার আবেদন করেন বাসন থানা বিএনপির সভাপতি তানভীর সিরাজ।
গাজীপুর জজ আদালতের আইনজীবী সিদ্দিকুর রহমান জানান, মামলাটি আদালত গ্রহণ করে। এমনকি পুলিশের গোয়েন্দা শাখা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। কি অভিযোগ রয়েছে সারজিস আলমের বিরুদ্ধে শুনুন
এর আগে ৭ আগস্ট সারজিস আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, গাজীপুরে এক বিএনপি নেতার চাঁদাবাজি নিয়ে নিউজ করায় দুপুরে আনোয়ার নামের এক সাংবাদিককে ইট দিয়ে থেঁতলে দেয় বিএনপির কর্মীরা। দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের সাংবাদিক তুহিনকে গাজীপুরের চৌরাস্তায় চা দোকানে রাতে জ** করে হ*ত্যা করেছে চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা! আনোয়ার এবং তুহিন বন্ধু ছিলেন।’ তবে পরদিন সকাল ১০টা ৩৯ মিনিটে পোস্টটি সম্পাদনা করে তিনি ‘চাঁদাবাজ’ শব্দটি বাদ দিয়ে ‘ছিনতাইকারী লেখেন।
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ছাত্রনেতারা দেশ চালানো টা খুব সহজ ভেবেছিল। কিন্তু এর প্রভাব, তাদের বক্তব্যের প্রভাব কোথায় গিয়ে পড়তে পারে, সেটা বোঝেনি। আর সেই কারণেই বিপদে পড়েছে তারা। এরপর জোট দিন যাবে, আরও বিপদে পড়বেন। এমনকি শেখ হাসিনাও চুপ করে বসে নেই। যেকোনও মুহূর্তে বড় কোনও ধামাকা আসতেই পারে। বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।












Discussion about this post