বাংলাদেশের তরুন প্রজন্মের শিক্ষিত তরুনরা কি নিজেদের বুদ্ধি বিবেচনা নাহিদ হাসনাতদের কাছে জিম্মি রেখেছে। যখনই এই ছাত্রনেতার যা কিছু বলে, ঠিক ঠিক বলে চিৎকার করতে থাকে এই সব তরুনের দল। যা দেখে এদের সামান্যতম শিক্ষা আছে কিনা তাই নিয়ে সন্দেহ হয়।
নাহিদ, হাসনাত, আসিফদের মত ছাত্রনেতারা বাংলাদেশকে ধ্বংস করে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন তরুনদের। যা বাস্তাবায়িত করার জন্য তরুনদের চাকরি ব্যবসা ছেড়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিতে হবে। ।অন্যদিকে নাহিদ ইসলাম এবং নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ইউনূসকে হুশিয়ারী দিচ্ছেন ভোট ফেব্রুয়ারীতে কোন ভাবেই করানো চলবে না। নাহিদ বলছেন আগামী বাংলাদেশ গড়বে তরুনরা। কিন্তু সেই তরুন ছাত্রনেতারা হাত পাকাচ্ছে চাঁদাবাজিতে আর যার মদতদাতা এই ছাত্রউপদেষ্টারাই, তারাই প্ল্যান পরিকল্পনা করে দিচ্ছে কি ভাবে এবং কত টাকা চাঁদা নিয়ে আসতে হবে।গুলশনের চাঁদাবাজিতে নাম উঠে আসছে আসিফ মাহমুদের।নাহিদ ইসলামের মতে তরুনদের জন্য থাকছে চাঁদাবাজি আর চাঁদাবাজি করার জন্য অস্ত্র। এখন তারা একটি ছায়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে চান। যে ছায়া তাদের দেখাচ্ছে তুরস্ক।আপনাদের মাহফুজ আলমের ১৬ই ডিসেম্বরের ফেসবুক পোস্টটির কথা মনে আছে কি।যেখানে বৃহত্তর বাংলাদেশের মানচিত্র প্রকাশ করা হয়, যেখানে পশ্চিমবঙ্গ,বিহার,উড়িষ্যা ভারতের সেভেন সিস্টারকে যুক্ত করে দেখানো হয়।সেই পোষ্টে মাহফুজ বলেন আমরা আংশিক স্বাধীনতা পেয়েছি, এবার আমাদের অস্ত্র হাতে তুলে নিতে হবে বৃহত্তর বাংলাদেশের জন্য।তারা ভাবছে তারা এমন দিবাস্বপ্ন দেখবেন, আর ভারত যেন তাদের গায়ে পাখার বাতাস করবে।আহারে বিপ্লবীর দলরে । যে দেশটি অনুন্নত দেশ থেকে উন্নত দেশের দিকে হাঁটছিল, সেই দেশটি এখন ধ্বংসের মুখে।যে দেশটি কানাডা বা সিঙ্গাপুর হবে কিভাবে তার রূপ রেখা তৈরী করছিল, তার অবস্থা এখন এতটাই জটিল যে,বর্তমান সরকারের গডফাদার আমেরিকাও নাজেহাল।অবস্থা এমন যে তারাও এই ছাত্রনেতাদের সামলাতে নাকানি চুবানি খাচ্ছে।তার উপর তাদের অন্য ভয়ও আছে একদিকে তাদের প্রধান শত্রু তুরস্কের প্রভাব বাংলাদেশে বৃদ্ধি পাচ্ছে, অন্যদিকে তারা যদি এই জামাত বা এনসিপিকে সমর্থন করে তাহলে বহুদিনের জন্য বাংলাদেশ কন্ট্রোল করার ক্ষমতা তারা হারাবে।মার্কিন নাগরিকদের ক্ষমতায় এনে তারা প্রথমে ভেবেছিল সব তাদের কন্ট্রোলেই আছে, যেমন খলিলুর রহমান, আলি রিয়াজ তাদের ইচ্ছা মত কাজগুলি করে দিতে পারবে। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে ততই তারা পড়েছে ফ্যাসাদে। তারা যেমন দুত পাঠিয়ে তারেক রহমানকে জানিয়ে দিয়েছিল যে তাকেই তারা ক্ষমতায় বসাতে চাইছে,এবং ইউনূসকে ধমকিয়ে ভোটের ঘোষনা করিয়েছিল, অন্যদিকে আলি রিয়াজের কাছে তারা জানতে চেয়েছে সার্বিক পরিস্থিতি কেমন।কবে ভোট করিয়ে নতুন সরকার গঠন সম্ভব। মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রে প্রিয় পাত্র তাসনিম জারার তত্ববধানে সোমবার বিকেলে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এনসিপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।বৈঠকে এনসিপির চার নেতা অংশ নেন। তারা হলেন, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা ও যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দীন মোহাম্মদ।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সিলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার জেমস স্টুয়ার্ট ও পলিটিক্যাল স্পেশালিস্ট ফিরোজ আহমেদ অংশ নেন।
এনসিপির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই বৈঠকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সংস্কারের রূপরেখা, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে মতবিনিময় হয়। এনসিপির পক্ষ থেক পরিস্কার করে দেওয়া হয়েছে তারা তাদের দাবীগুলি থেকে সরে এসে কোনভাবেই নির্বাচনের পক্ষ্যে রায় দেবেন না।












Discussion about this post