বাংলাদেশের রিক্সওয়ালা থেকে সাধারণ কৃষক সবাই জানে কারা কারা চাঁদাবাজিতে যুক্ত।শুধু মাত্র বিএনপি যে একাই চাঁদাবাজি করে না, সেটা জেনে গেছে দেশবাসী। তারা এটাও জানে যারা সামনে আছে তারাতো চুনো পুঁটি। যারা পিছনে আছে, যাদের দেখা যাচ্ছে না, সেই রাঘোব বোয়াল যে কারা তাও জানে সারা দেশের মানুষ।তবে ইউনূস সাহেবের মদতে যে সব হচ্ছে এবং সব উপদেষ্টারা যে সমান ভাগে ভাগ পাচ্ছে কিনা তা জানা নেই দেশবাসীর। আজ সেই বিষয়েই বিস্তারিত জানতে চেষ্টা করব। চলুন জেনে নিই টান টান গল্পের মধ্যে কোন রহস্য আছে যার কারণে চাঁদাবাজির রাঘোব বোয়াল আসিফ মাহমুদ ধরা খেলেন। নাকি তাকে ধরিয়ে দেওয়া হল, এটা বোঝাতে যে তিনি ফ্রাঙ্কেনস্টাইন নন। এবার আসল ঘটনায় আসা যাক। সাবেক এমপি সাম্মি আহমেদের বাড়ীতে মব তৈরী করে কোটি টাকার চাঁদা চাওয়া হয়েছিল। ঐ ঘটনার মাস্টার মাইন্ড আসিফ মাহমুদ এই দাবী করে ১৩ই আগস্ট জানে আলম অপুর একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ্যে আসে।(বাইট- জানে আলমের বক্তব্য) এখানে বলে রাখা ভালো ঐ ভিডিও কিন্তু ১৩ তারিখে তোলাও নয়, আর ১৩ তারিখে সাংবাদিকদের হাতেও আসেনি। ঐ ভিডিও এসেছে অনেক দিন আগে।তাহলে আপনাদের কি মনে হচ্ছে না, অনেক আগের ধারণ করা ভিডিও কেন ১৩ তারিখে প্রকাশ করা হল। এই বিষয়টি জানতে বা বুঝতে হলে, জানতে হবে আসিফ মাহমুদের বর্তমান অবস্থা।এখানে শারীরিক অবস্থা নয়, আর্থিক অবস্থা।এবং কার বা কাদের দৌলতে তিনি এই এত বড় পদ পেয়েছেন এবং কেন পেয়েছেন। একবার ভেবে দেখুন শুধুমাত্র গুলশনের একটি বাড়ীতে একদিনে কিছু সমন্বয়ক এবং পুলিশ পাঠিয়ে আসিফ মাহমুদ যদি এক কোটি টাকা তোলেন, তাহলে সারা বাংলাদেশে, তিনি তার বাবা এবং আর যে সব সাঙ্গ পাঙ্গরা রয়েছে তাদের দিয়ে তিনি প্রতিদিন কত কোটি কোটি টাকা তুলেছেন, পুলিশ এবং সমন্বয়কদের ব্যবহার করে। বুঝতে পারছেন কে বা কারা তাকে এই ক্ষমতায় বসিয়েছেন এবং কেন। আপনারা বলতে পারবেন বাংলাদেশে কবে থেকে এই নিয়ম চালু হল যে সমন্বয়করা মব সৃষ্টি করে কারো বাড়ীতে চড়াও হলে গ্রেফতার হবেন। কিন্তু সাম্মি আহমেদের বাড়ীতে এসে সিসিটিভি ফুটেজ সহ গ্রেফতার হয়েছে ছাত্র সমন্বয়করা। এটি পুলিশের সাহসের ফলে হয়নি। ঘটনাটি হল জানে আলম অপু এবং রিয়াজরা যখন সাবেক এমপির বাড়ীতে এক কোটি টাকার জন্য বসে আছেন, তখন সাবেক এমপি, চাঁদাবাজির মাস্টার মাইন্ড আসিফ মাহমুদের কাছে এক কোটি বা তার বেশী টাকা পৌঁছে দিয়েছেন।ফলে এমপি বেঁচে গেলেন আর জানে আলম অপু ও রিয়াজ গ্রেফতার হলেন।মজার ঘটনা হল এত দিন গ্রেফতার থাকার পরও জানে আলম অপুর স্ত্রী কারো কাছে কোন অভিযোগ করলেন না। আর ভিডিও সামনে এল না। ভিডিও টি সামনে এল কখন। যখন আসিফ মাহমুদ ঘোষনা করল যে সে নির্বাচন করবে তবে কোন দলের হয়ে করবে তা স্পষ্ট নয়, এবং তিনি তার এলাকা নয় ঢাকা থেকে কেন্দ্রীয় ভাবে নির্বাচন করবেন, এবং খুব সম্ভবত সেটি বিএনপির পক্ষ থেকে। ব্যাস এখানেই খেলা ঘুরে গেল। তিনি এনসিপির ম্যানি মেসিন শুধু নন।তিনি জানেন পুরো চাঁদাবাজির সিস্টেমটি।এবং এই চাঁদাবাজি কার প্রশয়ে আশ্রয়ে হচ্ছে। অর্থাৎ দলের সবকিছু জানা একজনকে অন্য দলে ছেড়ে দেওয়াটা বুদ্ধি মানের কাজ না। ফলে অনেক দিন আগের তোলা ভিডিও টি প্রকাশ পেয়ে গেল, এখন আর আপনাদের বলে দিতে হবে না যে কারা প্রকাশ করল এই ভিডিও। এইটিকে ঢাকতে নাকি এনসিপিই আবার তার স্ত্রীকে দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করালো এবং সেখানে জানে আলমের স্ত্রী যা যা দাবী করছেন তার কোনটির সঙ্গে কোনটির মিল পাওয়া যাচ্ছে না। যেমন অপুকে চাপ দিয়ে জোর করে নাহিদ বা আসিফের নাম বলাতে বাধ্য করা হচ্ছিল, তার জন্য তাকে খুব অত্যাচার করা হয়েছে। এটি কোন ভাবেই বিশ্বাস করা সম্ভব নয়।এরা কি আওয়ামীলীগের পুলিশ নাকি, যে মেরে আসিফ বা নাহিদের নাম বার করবে। সাংবাদিক সম্মেলনে অপুর স্ত্রী অভিযোগ করেন, রিমান্ডে অপুকে মেরে রক্তাক্ত করা হয়েছে। এক দিকে তিনি রিমান্ডে আবার অন্য দিকে তিনি নাকি ইসরাকের বাসায় দিব্যি সুস্থ সবল ভাবে ভিডিও বার্তা দিচ্ছেন। এমন বহু অসঙ্গতিতে ভরা তার সাংবাদিক সম্মেলন। আসলে বহু কোটি টাকা এবং টাকার উৎস নিয়ে বিএনপিতে যোগ দিতে চাওয়ার ফলেই ধরা খেয়েছে আসিফ মাহমুদ।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post