বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি কি ঠিক হয়ে গিয়েছে? তাকে সরিয়ে দিয়ে কি নতুন রাষ্ট্রপতি খুঁজছে সরকার? এমন নানা প্রশ্ন উঠে আসছে। এর আগেও দেখা গিয়েছে, রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য নানা পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু এখন স্পষ্ট, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে গুরুতর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন, সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। এমনটাই বলছে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমগুলো। এমনকি একজনকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করার জন্য। তিনি হলেন, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি রেফাদ আহমেদ। কিন্তু তিনি বিনয়ের সঙ্গে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন বলে খবর। প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে কিভাবে সরিয়ে দেবে সরকার? সরিয়ে দেওয়ার আদতে কোনও উপায় নেই। সংসদ ছাড়া সেটা সম্ভব নয়। যদি রাষ্ট্রপতি নিজে থেকে পদত্যাগ করেন, তবে সেটাই একমাত্র উপায়। আরো একটি উপায়, সেটা হল যদি রাষ্ট্রপতিকে জোর করে পদত্যাগ করাতে বাধ্য হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সেদিন ৫ ই আগস্ট রাষ্ট্রপতি সাহাদ উদ্দিন চুপ্পুর বিবৃতি হিসেবে যে ভাষণ দেওয়া হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে, সেটাতে তিনি যদি সই করে থাকেন, তবে শাহাবুদ্দিন চুপ্পু নিজে থেকে পদত্যাগ করবেন না। এটা স্পষ্ট।
এদিকে যেভাবে প্রধান বিচারপতিকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য, তিনি এই প্রস্তাব বিনয়ের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছেন। শুধু তাই নয়, এই খবর সামনে আসতেই প্রধান বিচারপতি আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য কি কি করেছেন, সেগুলো তুলে ধরা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলার দিকে কিভাবে স্বচ্ছতার সঙ্গে করা যায়, সেটারই চেষ্টা করে গিয়েছেন। এদিকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখানে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে ভুলে গিয়েছেন। যখন আওয়ামী লীগের শাসনকাল ছিল, তখন বহু সাংবাদিক কে বলা হত, তারা প্রশ্ন করতে না এসে প্রশংসা করতে এসেছেন। আশ্চর্যের বিষয়, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলেও সেটাই দেখা যাচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, যদি এইভাবে চলতে থাকে, তবে বাংলাদেশের শাসন পরিকাঠামো ভেঙে পড়বে। কারণ রাষ্ট্রকে প্রশ্ন করার কেউ না থাকলে, এই রাষ্ট্র কিছুদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যে পরিস্থিতি, তাতে খুব তাড়াতাড়ি যে দেশ আরো খারাপ থেকে খারাপের দিকে যাচ্ছে সেটা স্পষ্ট হচ্ছে। কেন রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, সেই নিয়ে কোনও প্রশ্নই তোলা হচ্ছে না সংবাদ মাধ্যমগুলির তরফে। এখন দেখার, এই পরিস্থিতির অবস্থান কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।












Discussion about this post