এই প্রবাদটির কথা হয়তো অনকের জানা – বাড়ির গোরু কোলার ঘাস খায় না।
বাংলাদেশের তদারকি সরকার প্রধান মহম্মদ ইউনূসের অবস্থা অনেকটাই সেরকম।
মানে, একেই পালং শাক, তার আবার ক্যাশ মেমো।
দেশের লোক খেতে পায়না। সরকারি কর্মচারীদের বেতন দেওয়া নিয়ে খোদ সরকারি উপদেষ্টা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এদিকে, ইউনূস আবার বিশাল লটবহর নিয়ে নিউ ইয়র্ক গিয়েছেন। আশা ছিল নিউ ইয়র্ক সাদা বাড়ির কর্তা, মানে ডোনাল্ড জন ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করবেন। হোয়াইট হাউজ তাঁকে ট্রাম্প কার্ড দেখিয়ে একেবারে মাঠের বাইরে বের করে দিয়েছে। তিনদিন কেটে গিয়ে চারদিন হতে চলল। হোয়াইট হাউস এই নিয়ে কোনও উচ্চবাচ্য করছে না। তারওপর আবার পিঠে ডিম পড়েছে। সেটা আর যাই হোক ঘোড়ার যে নয়, সেটা ফাটার পর স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেই মনোহর দৃশ্য। এক সরকারি কর্তা বিদেশের মাটিতে গিয়ে চূড়ান্ত হেনস্তার শিকার। এরকমটা হবে সেটা আশঙ্কা করেছিলেন। তাই, বাংলাদেশের তদারকি সরকারের তরফ থেকে মার্কিন অভিবাসন দফতরের কাছে বাড়তি নিরাপত্তা চাওয়া হয়েছিল। দফতর জানিয়ে দিয়েছে, ভিন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানেরা যে ধরনের নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন, বা তাদের যে ধরনের নিরাপত্তা মার্কিন প্রশাসনের তরফ থেকে দেওয়া হয়ে থাকে, ইউনূস এবং তাঁর সফরসঙ্গীরা সেই নিরাপত্তাই পাবেন। এর বেশি কিছু না। সব শুনে ইউনূস এবং তাঁর সঙ্গী-সাথীদের বুক কাঁপতে শুরু করে।
এদিকে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশাল এই সফর নিয়ে বিবৃতি জারি করেছে। তারা জানতে চেয়েছে, শতাধিক প্রতিনিধিসহ চলতি অধিবেশনে (জাতিসঙ্ঘের) অংশগ্রহণের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকার কী বার্তা দিল? এর বিনিময়ে দেশ তথা জনগণ তথা করদাতাদের কোনও সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু? এই প্রশ্ন করা এবং উত্তর পাওয়ার অধিকার সাধারণ মানুষের রয়েছে। এই দাবি করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান।
এই প্রতিনিধিদলের সংখ্যা ১০৪। যদিও অন্য একটি সূত্র বলছে, সংখ্যাটা আরও বেশি। সংখ্যা ১১০ থেকে ১১৪। আর এই সফরের খরচ কত? বাংলাদেশি টাকায় ৭০০ কোটি টাকা। গিয়েছেন ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে। ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করে তার মগজ ধোলাই করে তাঁকে কাছে টানার চেষ্টা চালান মহম্মদ ইউনূস। সব ফেল। অতীতেও সরকার প্রধানদের এই ধরনের সফর নিয়ে বাংলাদেশে কম সমালোচনা হয়নি। তৎকালীন সরকারকে কম কথা শুনতে হয়নি। কিন্তু ইউনূস অতীতের সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছেন। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকা জলের মতো খরত হয়ে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ সরকার এই সফরের উদ্দেশ্য জানাতে গিয়ে বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই এবং বৈশ্বিক শান্তির মতো ইস্যুতে সে দেশের অবস্থান তুলে ধরা। খটকা এখানে। এটাই যদি সফরের মূল লক্ষ্য হবে, তাহলে তো ইউনূস হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়ে গেলেই পারতেন। সেটা না করে এতজনকে নিয়ে গেলেন কেন? কয়েকজন দক্ষদের নিয়ে গেলেও তো হত। এই সাক্ষাৎ নিশ্চিত করা জন্য পাকিস্তানের একটি পিআর কোম্পানির পিছনে টাকা ঢেলেছে তদারকি সরকার। তার পরিমাণ কত, সেটা এখনও জানা যায়নি। কিছুদিন বাদেই জানা যাবে। এর সঙ্গে রয়েছে ইউনূস সরকারের ইউনূস সেন্টার রয়েছে।
এদিকে, বাংলাদেশের কয়েকটি গণমাধ্যমে ইউনূসের সঙ্গে ট্রাম্পের সাক্ষাৎ হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। আর ছবি ছাপা হয়েছে জাতিসঙ্ঘের সেক্রেটারি জেনারেল অ্যান্তনিও গুতেরেসের।












Discussion about this post