তদারকি সরকার প্রধান ড. মহম্মদ ইউনূস জাতিসঙ্ঘে ভাষণ দেওয়ার উদ্দেশ্যে নিউ ইয়র্ক গিয়েছেন। সঙ্গে গিয়েছেন বিশাল এক প্রতিনিধি। প্রতিনিধি বললে ভুল হবে, লটবহর বললে কিছুই বলা হবে না। লোটা-কম্বল, ঘটি-বাটি নিয়ে – মানে যেগুলি না নিলেই নয়, সেগুলিও সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন। কার টাকায়। পুরোটাই জনগণের টাকায়। হাসিনাও কিন্তু এমন বহর নিয়ে নিউ ইয়র্ক যেতেন। সেই সময় যে প্রশ্নগুলি ঘোরাঘুরি করত, ইউনূস জমানায় সেই প্রশ্নগুলি ফের একবার ঘোরাঘুরি করতে শুরু করেছে। বলা হচ্ছে, হাসিনাকে পছন্দ করছিল না দেশবাসীর একাংশ। তাই, তারা গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়ে হাসিনাকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছেন। ক্ষমতায় আসীন হন ড. মহম্মদ ইউনূস। দেশবাসী, বিশেষ করে যারা গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়েছিল তারা কিন্তু এই সরকারের থেকে অনেক কিছু আশা করেছিল।
শুরুতে সরকার প্রধান গতবার জাতিসঙ্ঘে যাওয়ার প্রাক্কালে জানিয়েছিলেন, তাঁর নিউ ইয়র্ক সফরসঙ্গী হবেন মাত্র সাতজন। এই খবর শুনে সবাই খুশি হয়েছিল। কারণ, বাংলাদেশ ধনী দেশ নয়, অত্যন্ত গরীব একটি দেশ। সেই দেশের একজন সরকার প্রধান বিশাল এক প্রতিনিধিদলকে নিয়ে বিদেশ সফর করবে, যে সফরের খরচ বহন করবে জনগণ, সেটা কাম্য নয়। কারণ অর্থের অপচয় কাম্য নয়। কিন্তু দেখা গেল তিনি সাত নয়, সাতান্নজনকে নিয়ে নিউ ইয়র্ক যান। এই খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হতেই মানুষের মনে অসন্তোষ তৈরি হয়। তাঁর কারণও রয়েছে। বললেন সাতজনকে নিয়ে যাবেন, আর নিয়ে গেলে ৫৭জনকে। সেটাই প্রথম নয়। যতবার উনি বিদেশ গিয়েছেন, সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন এক বিশাল প্রতিনিধিদলকে। তা নিয়ে কম চর্চা হয়নি। কম কথা ইউনূসকে শুনতে হয়নি। কিন্তু কয়লাকে যতবার জল দিয়ে পরিষ্কার করা হোক না কেন, কয়লা কয়লাত্ব যায় না। একটা বিষয় স্পষ্ট, এই বিশাল লটবহর নিয়ে বিদেশ সফর যে দৃষ্টিকটু সেটা একবারের জন্য তাঁর মনে হয়নি। অথবা প্রয়োজন বোধ করেননি। সব থেকে বড় কথা এই সফরের জন্য সরকারের খরচ কত হয়েছে, সে বিষয়ে কিন্তু কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। কারা সফর সঙ্গী হয়েছিলেন, তার কিছুটা সকলেই জেনে গিয়েছে। যেটা অনেকেই জানেন না তা হল ইউনূসের নিউ ইয়র্ক সফরসঙ্গী হয়েছেন তার এক কন্যাও। কিন্তু সরকারি সফরে সরকারের প্রধান উপদেষ্টা তথা বাবা তাঁর মেয়েকে নিয়ে যাবেন কেন? পররাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে গিয়েছেন ১৩জন। ভাবাই যায় না।
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে (নিউজ বর্তমান সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি।) সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে জাতিসঙ্ঘে ইউনূস যখন ভাষণ দিচ্ছেন, সেই সময় ফাওজুল কবির খান মোবাইল ঘাঁটতে ব্যস্ত। আর গিয়েছে লামিয়া মোর্সেদ। ইউনূস যেখানেই যাবেন, এই লামিয়া মোর্সেদকে সেখানে দেখতে পাওয়া যাবে। কিন্তু যে প্রশ্নটা ঘোরাঘুরি করছে এই বিশাল লটবহর নিয়ে ইউনূস মার্কিন সফরে গেলেন, সেখান থেকে কী পেলেন?
নিট ফল শূন্য। ইউনূস চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে। হোয়াইট হাউজ জানিয়ে দিয়েছে, ইউনূসের সঙ্গে এক-বনাম- এক বৈঠকে সম্ভব নয়। চেয়েছিলেন আমেরিকার মিত্র দেশগুলির রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করতে। সেখানেও ব্যর্থ। ইউনূস বাংলাদেশে ফিরছেন ছোঁড়া ডিমের সাদা সাদা খোলস নিয়ে।
মানে হাতে রইল পেন্সিল।
দীর্ঘ বিরতির পর আবার সংবাদের শিরোনামে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবন্যাল (আইসিটি)। এটি তৈরি হয়েছিল হাসিনার আমলে। তাঁর একটা উদ্দেশ্য ছিল।...
Read more











Discussion about this post