ওপারেশন সিন্দুরে ভারত পাকিস্তানকে আক্রমন করলেও সেই আক্রমন মানবিকতাকে লঙ্ঘন করেনি। অর্থাৎ ভারত পাকিস্তানের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমকে ধ্বংস করার পর, পাকিস্তানের সবকিছুকেই ধ্বংস করে দিতে পারত। এমনকি পাকিস্তানের অর্থনীতিকে চিরতরে নস্ট করে দিতে পারত। কিন্তু ভারত তা না করে শুধু মাত্র জঙ্গীদের ঘাঁটি গুলিকেই নিশানা করেছিল। এবার যদি ভারত ওপারেশন সিন্দুর টু শুরু করে তাহলে পাকিস্তানের ইতিহাস এবং ভুগোল সব বদলে যাবে বলে হুশিয়ারী দিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং ভারতের সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বীবেদি। আর এবার শুধু মাত্র পাকিস্তানকেই টার্গেট করছে না ভারত। পাকিস্তানের জঙ্গীবাদকে ক্রমাগত সমর্থন করছে ইউনূস সরকার, তাই পাকিস্তানের সঙ্গে নিশানায় থাকছে বাংলাদেশও। পৃথিবীর ক্যান্সার বলে পরিচিত পাকিস্তান নিজদেশে জঙ্গীদের লালন পালন করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তাদের রপ্তানি করে। আর এই মহুর্তে বাংলাদেশে সব থেকে বেশী পাকিস্তানী জঙ্গী অবস্থান করছে। চার হাজারের বেশী পাকিস্তানি এজেন্ট বাংলাদেশে রয়েছে, যারা ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চল থেকে হামলা করতে চায়। আর বাংলাদেশের বর্তমান তদরকী সরকার তাদের সম্পূর্ণ সহযোগীতা করছে যাতে তারা ভারতকে উতপ্ত করতে পারে। কিন্তু এবার বাংলাদেশেরভিতর থেকে সেভেন সিস্টারস বা চিকেন নেকের ওপর কোন হামলা হলে তার ফল ভুগতে হবে বাংলাদেশকেও। তাই সেনাপ্রধান ওয়াকারকেও এই বিষয়ে ভেবে দেখা উচিত। জামাত তো ঘোষনা করেছে যে তাদের ৫০লক্ষ লুঙ্গিবাহিনী প্রস্তুত আছে ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য। এই ধরণের উস্কানিতে যে বাংলাদেশ সেনার উপর যে চাপ বাড়বে তা বুঝে সেনাপ্রধানের উচিৎ সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া।বাংলাদেশের তোহিদী জনগনকে সাবধান করা উচিত সেনাপ্রধানের। আর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চল থেকে আক্রমনের এই বিষয়টি শুধু মাত্র অনুমান নয়, পাকিস্তানের আইএসপিআর থেকেও ভারত আক্রমনের প্রচার করা হচ্ছে। সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে সংঘটিত এক সস্ত্রাসী হামলা ঘিরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯ দিনের একটি ভয়াবহ সংঘাত দেখেছে বিশ্ব। চিরবৈরী দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যকার পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক থাকলেও সংক্ষিপ্ত সেই যুদ্ধ নিয়ে চাপা উত্তেজনা রয়েইগেছে। এর মধ্যেই ভারতকে উদ্দেশ্য করে আবারও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া শাখা আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী। ভারতের দিক থেকে আবারও কোনো সামরিক অভিযান পরিচালিত হলে পাকিস্তান এবার দেশটির গভীরে হামলা করবে বলে হুমকি দিয়েছেন তিনি। আর এরই পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্তে সন্ত্রাসবাদে মদদ বন্ধ না করলে পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার হুমকি দিয়েছেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।শুক্রবার (৩ অক্টোবর) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চালানো অপারেশন সিঁদুর নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এমনই হুমকি দেন ভারতীয় সেনাপ্রধান। তিনি বলেন, “অপারেশন সিঁদুর এ আমরা সংযম দেখিয়েছিলাম। কিন্তু এবার কোনো সংযম আর আমরা দেখাব না। এবার আমরা পাকিস্তানকে এমন পরিস্থিতিতে ফেলব যে তারা ভাববে। পাকিস্তান যদি ভূগোলের মানচিত্রে তাদের জায়গা রাখতে চায় তাহলে তাদের অবশ্যই সীমান্তে রাষ্ট্র সমর্থিত সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করতে হবে।”
তিনি দাবি করেন, গত মে মাসে পাকিস্তানের ভেতরে সন্ত্রাসীদের ক্যাম্প ও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে হামলা চালানো হয়েছে। এসব অবকাঠামোতে হামলার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে পাকিস্তান নিজ দেশে সন্ত্রাসবাদকে লালনপালন করে। ভারত যদি ওই সময় ব্যবস্থা না নিত তাহলে পাকিস্তান এ সত্যকে আড়াল করত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অপরদিকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল এপি সিং দাবি করেছেন যে অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস করা হয়েছিল, যার মধ্যে এফ-১৬ এবং জেএফ-১৭ মডেলের বিমান ছিল।
তিনি বলেন, ওই সংঘাত থামানোর জন্য পাকিস্তানই যুদ্ধবিরতির আবেদন করেছিল। এপি সিংয়ের মতে, এতে প্রমাণিত হয় যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ নয়, বরং ইসলামাবাদের পক্ষ থেকেই শান্তি প্রার্থনা করা হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন যে ভারতীয় কোনো যুদ্ধবিমান ধ্বংসের পাকিস্তানি দাবি স্রেফ “মিথ্যা প্রচারণা” এবং তারা তাদের জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।
শুধুমাত্র ভারতের সেনাপ্রধানই নন, ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও দাবী করেছেন যে, এবার যুদ্ধ হলে পাকিস্তানের ইতিহাস এবং ভুগোল বদলে দেওয়া হবে। ফলে পাকিস্তানের অনেক পরিবর্তন দেখবে পৃথিবী। কিন্তু বাংলাদেশ যদি পাকিস্তান থেকে নিজেদের দূরত্ব সৃষ্টি করতে না পারে তবে তদরকী সরকারকে তার ফল ভুগতে হবে। বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ভারতে না এলেও, বর্তমান টেকনোলজির যুগে কোন বৈঠকের জন্য সামনাসামনি আসার প্রয়োজন হয়না। বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ভারতের ইচ্ছাটি কি সেটি বুঝে যদি চলতে পারেন তবে পাকিস্তানকে ভারত বিরোধী কার্যকলাপে কোন রকম সহযোগীতা থেকে নিজেদের দুরে রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।












Discussion about this post