বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা কি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে? এমন হতে পারে, যে বিচারের প্রক্রিয়ায় চলে যাবে তারা? সম্প্রতি উপদেষ্টাদের নিয়ে নানা রকমের মন্তব্য এই বিষয়টিকে আরও বেশি করে উস্কে দিচ্ছে। কারণ সম্প্রতি নাহিদ ইসলাম বেশ কিছু মন্তব্য করেছেন। উপদেষ্টা মন্ডলীর কেউ কেউ সেফ এক্সিটের পরিকল্পনা করে রেখেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। অন্যদিকে মাহফুজ আলম কিছুদিন আগে মন্তব্য করেছিলেন, অনেকেই দুর্নীতির সাগরে নিমজ্জিত হয়েছেন। যখন নিজেদের মধ্যে এমন নানা মন্তব্য উঠে আসছে, তখন সাংবাদিক মাসুদ কামাল আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি একটি মন্তব্য করেছেন। উপদেষ্টাদের পাসপোর্ট জব্দ করে রাখার প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি। কেন তিনি হঠাৎ এমন মন্তব্য করলেন? তবে কি উপদেষ্টারা দুর্নীতি করে বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন? এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে? ঠিক যেমনটা মন্তব্য করেছিলেন নাহিদ ইসলাম? শুধু তাই নয়, নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছিলেন, উপদেষ্টাদের মধ্যে একাধিক জন রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তবে কি মাসুদ কামালও একই ইঙ্গিত করলেন?
সাংবাদিক মাসুদ কামাল বলেন, উপদেষ্টারা তাদের দায়িত্ব ছাড়ার আগে তাদের পাসপোর্ট জব্দ করা উচিত। জন দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ, তদন্তের স্বার্থে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের পাসপোর্ট জব্দ করা উচিত। এতে সন্দেহজনকদের পালিয়ে যাওয়া রোদ হবে। স্বাধীন ও কার্যকর তদন্ত নিশ্চিত হবে। এবং জনগণের আস্থাও রক্ষিত থাকবে।
তিনি বলেন, দৈনিক মানবজমিনে ৪ঠা অক্টোবর সংখ্যায় প্রকাশিত প্রতিবেদন ইউনূস নিজের রেকর্ড নিজেই ভাঙলেন। এই শিরোনামের শেষভাগে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। যেটি দেশের প্রশাসনিক নৈতিকতার ভিত্তিকে নাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি বেসরকারি সংস্থার শীর্ষ পদে নিয়োগের জন্য প্রস্তাব করা হয়েছিল ৮০ কোটি টাকার লেনদেন। যার অর্ধেক যাওয়ার কথা বিশেষ স্থানে। বাকি অংশ তৃতীয় পক্ষের হাতে। এই বিশাল অংকের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ প্রাপ্ত ব্যক্তিকে কাজ করতে হত না। শুধু বাণিজ্যিক কারসাজিতে সম্মতি জানালেই হত। তিনি ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, এই প্রতিবেদনে এই টাকার একাংশের সঙ্গে নাকি যুক্ত হয়েছে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার নাম। সরাসরি না হলেও এমন ইঙ্গিত নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি দুর্নীতির প্রসঙ্গ উঠলেই প্রধান উপদেষ্টার বাসভাবন যমুনার নাম উঠে আসছে। তবে কি মাসুদ কামাল প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মুদ ইউনূসের পাসপোর্ট জব্দ করার কথাও বললেন? এমন নানা প্রশ্ন দানা বাঁধছে। তার কারণ সম্প্রতি বাংলাদেশে সেফ এক্সিট নিয়ে নানা মন্তব্য ধেয়ে আসছে। নাহিদ ইসলামের পাশাপাশি একাধিক জন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন। শুধু তাই নয়, প্রশ্ন উঠছে উপদেষ্টারা দায়িত্ব ছাড়ার পর পালিয়ে যাবেন কেন? তবে নৈতিক স্খলন হচ্ছে? তেমনটাই ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করলেন মাসুদ কামাল? প্রশ্ন এখানেও, উপদেষ্টা পারিষদে দুই ছাত্রনেতাও রয়েছেন। তাদেরও কি ইঙ্গিত করলেন নাহিদ ইসলাম ও সাংবাদিক মাসুদ কামাল? এখন দেখার, সরকারি পদে থাকা উপদেষ্টাদের নিয়ে এত মন্তব্যের পর আদেও তাদের তরফে কোনও বার্তা বা প্রতিক্রিয়া আসে কিনা!
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post