ইতালিতে বিশ্ব খাদ্য সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে নিজেই খাদ্য হয়েছেন তদারকি সরকার প্রধান মহম্মদ ইউনূস। একটা সরকারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে ঠিকই। কিন্তু শত হলেও তিনি সরকার প্রধান। তাই, প্রোটোকল হিসেবে তাঁর রাষ্ট্রীয় অভ্যর্থনা পাওয়ার কথা। কিন্তু বিশ্ব কী দেখল? বিমানবন্দরে তাঁকে গ্রহণ করতে ইতালি সরকারের তরফে কেউ ছিলেন না। যে দেশে বিশ্ব খাদ্য সম্মেলন সেই দেশের সরকার প্রধান জর্জিয়া মেলোনিকেও দেখা যায়নি। অথচ খাদ্য সম্মেলন যেখানে হচ্ছে, সেখান থেকে তাঁর সরকারি বাসভবন খুব কাছেই। বিমানবন্দরে দেখা যায়নি বিশ্ব খাদ্য সম্মেলনের কোনও প্রতিনিধিকে। ছিলেন ইতালিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এটিএম রোকেবুল হক। এটা বাংলাদেশের কাছে অত্যন্ত অসম্মানের। ইউনূস শেষ পর্যন্ত দলবল নিয়ে দেখা করেন রোমের মেয়র রবার্তো গুয়ালটিয়েরির সঙ্গে।
এবার অনুসন্ধান করা যাক তাঁর রোম সফরের কারণ। একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না শতহলেও মানুষটি একসময় ব্যাংকে চাকরি করতেন। তাই, অংক কষেই তিনি রোম গিয়েছিলেন। ইউনূস চেয়েছিলেন পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে দেখা করতে। তার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালান। এখানেও প্রশ্ন উঠতে পারে, ফ্রান্সিসের সঙ্গে তিনি কী কারণে দেখা করতে চেয়েছিলেন? কী গোপন ইচ্ছা নিয়ে পোপের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা? সেই খবর ঢাকায় ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও পোপের দফতর থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় এই মুহূর্তে ইউনূসের সঙ্গে পোপ দেখা করতে পারছেন না। ইউনূস চেয়েছিলেন পোপের সঙ্গে দেখা করে তাঁকে তিনি বলবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর সঙ্গে মিটিংয়ের ব্যবস্থা করে দিতে। ইউনূস এর আগেও ম্যাক্রোঁর সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁর দফতর থেকে নানা কারণ দেখিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রী এখনই সময় দিতে পারছেন না। তিনি ব্যর্থ মনোরথ হয়ে বাড়ি ফেরেন। তবুও হাল ছাড়তে নারাজ ইউনূস সরকার। তিনি একটি লবিস্ট ফার্মকে কাজে লাগিয়েছেন। তাদের কাজ হবে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর সঙ্গে ইউনূসের একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করা।
ইউনূসের মার্কিন লবিস্ট ফার্ম সে দেশেও কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। উদ্দেশ্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর একটা বৈঠকের ব্যবস্থা করে দেওয়া। জাতিসংঘ সফরকালে তদারকি সরকার প্রধান চেষ্টা চালিয়েছিলেন। কিন্তু প্রেসিডেন্টের দফতর পাত্তাই দেয়নি। তারপরেও লাজলজ্জা বিসর্জন দিয়ে ইউনূসের প্রেস উইং থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ভাইরাল করা হয়, সেই ছবিতে দেখা গিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পাশে রয়েছেন ইউনূস। যদিও পরে জানা যায় ছবিটি জাল।
এবার ইউনূস চাইছেন প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দেখা করতে। কারণ, খুব স্পষ্ট। তদারকি সরকার প্রধান বুঝে গিয়েছেন, তার বাঁচার রাস্তা একমাত্র সাউথব্লক। তাই, যেভাবে হোক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন। পারলে তিনি ভারতে আসতেও রাজি। ব্যাংককে তাদের মধ্যে একটা বৈঠক হয়। কিন্তু সেই বৈঠক তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। বাংলাদেশ এখন ফুটন্ত কড়াই। সেই কড়াই ঠাণ্ডা করতে পারে একমাত্র ভারত। আর তার জন্য ইউনূসের লবিস্ট ফার্ম মোটা টাকা খরচ করেছে। টাকার অংকটা শুনলে অনেকেই আঁতকে উঠতে পারেন। দিয়েছেন এক লক্ষ ৮৮ হাজির ডলার। বলা হয়েছে তারা যে করেই হোক যেন মোদির সঙ্গে বৈঠকের ব্যবস্থা করে দেয়। মোদি বৈঠক করেন কি না, সেটাই দেখার।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post