প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়িতে ঢুকে হঠাৎ ঝাঁপিয়ে পড়ে এলোপাথাড়ি চর, ঘুষি মারার অভিযোগ। জানেন, কে এই ঘটনা ঘটিয়েছে? এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন অভিষেক দাস ওরফে পাপাই। যদিও অভিযোগ পেয়ে তাকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিষেকের বাবা মা এবং কাকারা। হঠাৎ এমন কাজ কেন করলেন অভিষেক? উত্তরে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন অভিষেকের পরিবারের সদস্যরা।
খবর পেয়ে বিধান নগর উত্তর থানায় পৌঁছয় অভিষেকের পরিবারের সদস্যরা। পরিবার সূত্রে দাবি করা হয়, রবিবার ভোর চারটে নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ছেলে। অভিষেক নাকি মানসিক ভারসাম্যহীন। এমনকি তার গত চার বছর ধরে চিকিৎসা চলছে। এমনটাই জানায় পরিবার। অভিষেকের বাবা জানান, আমাদের থানা থেকে ফোন আসার পর আমরা থানায় যায়। কাকে মেরেছে কেন মেরেছে এই বিষয়ে তারা কিছুই জানতেন না। অন্যদিকে অভিষেক দাসের মা জানান, ভোর চারটে নাগাদ ছেলে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর সকাল আটটা নাগাদ জানাই সে দত্তপুকুরে রয়েছে। কাজে আছি বলে ফোনে জানায় অভিষেক। পরে বিকেলে বলে উল্টোডাঙায় রয়েছি, কাজে এসেছি। এরপর তিনি বলেন, রাত আটটা নাগাদ ছেলে বাড়িতে ফোন করে জানায় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সিকিউরিটি আমাকে আটকে রেখেছে। অভিষেকের মা আরো জানান, তার ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন। সে একজন মানুষের রোগী। তাকে দুবার মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদি প্রিয় মল্লিকের বাড়িতে চাকরির জন্য গিয়েছিলেন।
সূত্রের খবর, অভিষেক হাবড়ার জায়গাছির বাসিন্দা। এর আগেও হাবরা চেয়ারম্যান, হাবড়ার ভাইস চেয়ারম্যান সহ একাধিক রাজনৈতিক নেতাদের বাড়িতে আচমকা ঢোকার ইতিহাস রয়েছে তার। একাধিকবার পুলিশ তাকে আটক করেছে বলে অভিযোগ।
জানা যাচ্ছে, অভিষেকের আক্রমণে ভাল রকম চোট পেয়েছেন বিধায়ক। এমনকি এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, দেখে মনে হল ছেলেটি নেশাগ্রস্ত ছিল। আগে থেকেই তাঁর বাড়িতে রেকি করেছিল। আমার বাড়িতে যে কর্মচারী থাকে, তাঁকে সে বারবার জিজ্ঞাসা করেছে, আমি কোথায়। এরপরে আটটা নাগাদ বাড়িতে ঢুকতেই পিছন পিছন বাড়িতে প্রবেশ করে। হঠাৎ এসে আমার পেটে একটি ঘুঁসি মারে। এমনকি জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আরও বলেন, এমন ঘটনা ঘটতেই আমি চেঁচামেচি শুরু করি। বাইরে থাকা নিরাপত্তা রক্ষীরা ছুটে আসে। এবং ওই যুবককে আটক করে। যুবককে ঘরে পুলিশের কাছে পাঠানো হয় বলে দাবি তার। তিনি বলেন, আমাকে কেন মারলো বুঝতে পারছি না। তবে এই বিষয়ে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর আগে কখনোই ছেলেটিকে আমি দেখিনি। আজ পর্যন্ত এমন ধরনের ঘটনা ঘটেনি বলে জানান বিধায়ক।












Discussion about this post