দিল্লি বিস্ফোরণের সুতো কি বাংলাদেশে?
ভারত সরকার কিন্তু সরকারিভাবে এখনও এই নিয়ে কোনও বিবৃতি দেয়নি। প্রাথমিকভাবে সাউথব্লক থেকে এটা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যে লালকেল্লার হামলা সন্ত্রাসী। জাতীয় তদন্ত সংস্থা এবং ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে শুরু করেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। ভারতের একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই হামলার রিপোর্তাজে বলা হয়েছে, জাতীয় তদন্ত সংস্থা গত বুধবার একযোগে পাঁচ রাজ্যের ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালায়। যে সব রাজ্যে হয়েছে তাঁদের এই সাঁড়াশি অভিযান সেই রাজ্যগুলি হল পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, মেঘালয়, হরিয়ানা এবং গুজরাত। অভিযান চালিয়ে জাতীয় তদন্ত সংস্থা বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছি ডিজিট্যাল গেজেট। বাজেয়াপ্ত হওয়া ওই সব ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসগুলি ফরেন্সিক ল্যাবে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ভারতের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় তদন্ত সংস্থা মুর্শিদাবাদ থেকে মউনুল হাসান নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। সে দীর্ঘদিন ধরেই মুর্শিদাবাদে বাস করছিল। কাজের সূত্রে যাতায়াত ছিল দিল্লি, মুম্বই, আহমেদাবাদে। রাজ্যের বাইরে গেলে সে উঠত এক বাংলাদেশি নাগরিকের বাড়িতে। তার সঙ্গে অনেকদিন ধরেই যোগাযোগ রয়েছ এই মউনুলের। আর ভারতের অপর কয়েকটি গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, বুধবারের তল্লাশিতে মোট চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত এই চারজন হল মহম্মদ সজীবমিঞা, মুন্না খালিদ আনসারি ওরফে মুন্না খান, আঝারুল ইসলাম ওরফে জাহাঙ্গির ওরফে আকাশ খান এবং আব্দুল লতিফ ওরফে মনিমুল আনসারি। তবে এই গ্রেফতারি অন্য একটি ঘটনাসূত্রে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ঘটনাটি ২০২৩য়ের জুনের। ভারতের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন বলছে, এই চারজনের থেকে উদ্ধার হয়েছে জাল পরিচয়পত্র এবং বেশ কিছু নথিপত্র। সেই সব নথি ঘেঁটে জাতীয় তদন্ত সংস্থা দেখতে পেয়েছে এই চারের সঙ্গে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আল কায়দার যোগাযোগ রয়েছে। জাতীয় তদন্ত সংস্থার তদন্তে উঠে এসেছে এই চারজন বিভিন্ন জায়গায় থেকে টাকা তুলে আল কায়দার বাংলাদেশের একাধিক সংগঠনের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাত। তদন্তে এটাও উঠে এসেছে যে এরা সেখানকার মুসলিম তরুণদের জিহাদি কার্যকলাপে উদ্ধুব্ধ করার কাজে লিপ্ত ছিল। দিল্লির বিস্ফোরণের সঙ্গে এদের কোনও যোগাযোগ আছে কিনা, সেটা জাতীয় তদন্ত সংস্থা খতিয়ে দেখছে। ২০২৩-য়ের ১০ নভেম্বর জাতীয় তদন্ত সংস্থার বিশেষ আদালতে এই চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়। দিল্লি বিস্ফোরণের পর এই চারজন এবং মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম থেকে ধৃত মউনুল হাসানের সঙ্গে আর কারা জড়িত, সেটা এই পাঁচজনকে জেরা করে জানার চেষ্টা চলছে।
শনিবার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও নিউজ বর্তমান সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, মেট্রো থেকে নেমে যাত্রীরা বাইরে যাচ্ছেন। হঠাৎ কেঁপে উঠল মেট্রো স্টেশন। ভয়ে আতঙ্কে যাত্রীরা ছোটাছুটি করছেন। তারপরেই বিকট একটা শব্দ। ১০ নভেম্বর লালকেল্লার মেট্রো স্টেশনের কাছে সন্ধ্যায় এক ভয়াবহ বিস্ফোরণ হয়। বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। বেশ কয়েকজন আহত। তদন্ত নেমে গোয়েন্দারা জেনেছেন এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে রয়েছে ফরিদাবাদের ডক্টর মডিউল। বিস্ফোরণে মৃত গাড়ি চালকের দেহের ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। ডিএনএ রিপোর্ট বলছে, ফরিদাবাদের আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাক্তার উমর উন নবি।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post