দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে বাংলাদেশ যোগ দিল্লি বিস্ফোরণে হাসিনাই টার্গেট ছিল না তো শেখ হাসিনাকে হত্যা করার টার্গেট করা হয়েছিল যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তারা খুঁজে বার করেছিল দিল্লির কোথায় শেখ হাসিনা রয়েছেন।
আল ফালাহ ইউনিভার্সিটির জঙ্গি ডাক্তার যাদের গলায় ঝোলে টেথস্কোপ আর হাতে থাকে একে ৪৭ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। দিল্লি বিস্ফোরণে ভারতের তরফে পাকিস্তানকে সন্দেহ করার ২৪ ঘন্টার ভেতরেই ইসলামাবাদে বিস্ফোরণ হয়। পাকিস্তান আন্তর্জাতিক স্টোরে নিজেদের সাফ সুতরা দেখতে নিজেদের জায়গাতেই ঘটিয়ে দিল বিস্ফোরণ। দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের এক প্রতিবেদনে বলেছে, পাকিস্তান হার্টল্যান্ড অর্থাৎ ইসলামাবাদে বিস্ফোরণে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটি এ দশকের সবচেয়ে বড় ডেডলিয়েস্ট এট্যাক। আদালতের সামনে ঘটা এই বিস্ফোরণে ১২ জনের মৃত্যু হয় ও ৩০ জন আহত হন। পাকিস্তানের দাবি, এ বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে টিটিপি। আফগানিস্তানের তালিবান রেজিমি এই হামলা করিয়েছে টিটিপিকে দিয়ে। এই বিস্ফোরণ ভারত ও আফগানিস্তানের হাত রয়েছে।
আশ্চর্যজনকভাবে দিল্লি বিস্ফোরণের দিন বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ ব্যাঙ্ক হেডকোয়ার্টারের সামনে একটি ককটেল বোমা বিস্ফোরণ ঘটেছিল। দুজন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি মোটর সাইকেল এ করে এসে বোমা ছুড়ে যায়। কিন্তু পুলিশ এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। মহম্মদ ইউনুস দেশের প্রধান হওয়ার পরেও কেন গ্রেফতার হল না ওই দুই ব্যক্তি ঠিক তার পরের দিনই বিস্ফোরণ ঘটল পাকিস্তানে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এত কম সময়ের মধ্যে কী করে একই সাথে এত গুলো দেশে বিস্ফোরণ ঘটে অন্যদিকে, পাকিস্তানের ক্যাডেড কলেজ এ আরও একটি বিস্ফোরণ ঘটে। তাতে নিহতের সংখ্যা না থাকলেও আহত হয়েছেন ৬ জন। ভারতের এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী সেহেবাজ শরীফ পাকিস্তানের এই দুটি বিস্ফোরণে দায়ী করেছে ভারতকে। এ প্রসঙ্গে ভারতের তরফে রণধীর জয়েশয়াল বলেছেন, পাকিস্তানের থেকে এইটাই আশা করা যায়। পাকিস্তান যে এগুলো বলবে এগুলো জানা কথাই। আমরা এগুলো গুরুত্ব দিই না। পাকিস্তানের সাধারণ জনগণের ওপর সামরিক শাসন চলে। তাই সেই দিক চাপা দিতে পাকিস্তানের তরফে মিথ্যে অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে ভারতের ওপর।
দিল্লির বিস্ফোরণ কাণ্ডে শোক প্রকাশ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বলেছেন, এই ধরণের জঙ্গি আক্রমণের ঘটনা আমরা সমর্থন করিনা। ভারতের সাথে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আমরা এক হয়ে লড়বো। দিল্লির এই ঘটনা কাম্য নয়। ভারত ও আওয়ামীলীগ জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে এক হয়ে লড়ছে এবং আগামী দিনেও লড়বে।












Discussion about this post