১৭ মাস তিনি দেশের বাইরে, নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হয়েও নির্বাসিত অথবা বিতাড়িত অথবা পলায়নে বাধ্য। এই ১৭ মাস শেষ হলেই তিনি দেশে ফিরে আবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে যাবেন এমন নয়। কিন্তু যে সব ভাঁওতাবাজি কথা বলে আন্দোলোন শুরু হয়েছিল, এবং জনগন তাজা তরুনদের বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইকে সমর্থন করেছিল, তার গরুত্ব শুধু কমে আসছে এমনই নয়। জনগন এখন বুঝতে পারছে তাদের বোকা বানানো হয়েছিল। গণঅভ্যুত্থানে বিতাড়িত কোন প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ্যে কথা বলার সাহস ১৭ মাস কেন ১৭ বছর পরেও সম্ভব নয়। কিন্তু হাসিনার ক্ষেত্রে বিষয়টি উল্টো, কিছু রাজাকার ছাড়া সবাই বলছে হাসিনাই ভালো ছিল। যে দেশে রাজাকারা সুযোগ পেলেই ষড়যন্ত্র করে দেশকে আবার পাকিস্তান বানানোর, সেই দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষা করতে গেলে এবং মুক্তযুদ্ধের চেতনাকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে, হাসিনার মত স্বৈরাচারি শাসকই দেশে দরকার। এই ১৭ মাসে বাংলাদেশে বাস্তবিক কোন উন্নয়ন হয়নি, তবে খাতায় কলমে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ অগ্রগতির শিখরে পৌঁছে গেছে। যারা এ কথা বলেন তারা হয়তো ভুল বলেন না, কারণ এক শ্রেনীর রাজাকারেরা বিত্তবান হয়েছে, যে কাল ধার করে খেত সে আজ বলে তারা নাকি বিত্তবান পরিবারের সন্তান।আর সাধারণ মানুষ যারা হাসিনার আমলে দু-মুঠো খেতে পাচ্ছিল তারা এখন হাহাকার করছে। অন্য দিকে যারা হাসিনার মত স্বৈরাচারের পতন ঘটাতে অস্ত্র তুলে নিবে বলেছিল। এই সতের মাসে তারা এত সম্পদ বানিয়েছে যে, সাধারণ মানুষকে পথে নেমে তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলোন করতে হচ্ছে। তারা দেশের তদন্তকারী সংস্থাগুলির সামনে আন্দোলোনে জড়ো হয়েছে যাতে এই উপদেষ্টা এবং তাদের ল্যাসপেন্সারদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা হয়। তাদের সমন্ধে মানুষের ধারণা এতই খারাপ যে জাতীয় নাগরিক পর্টি থেকে শুরু করে,কোন দলই তাদেরকে নিজেদের দলে নিয়ে, দলকে কলঙ্কিত করতে চাইছে না। ফলে এখন সবাই বলছে হাসিনা ১৭ বছরে যে দূর্নীতি করেছে, উপদেষ্টারা ১৭ মাসেই হাসিনাকে ছাড়িয়ে গেছে। কেউ কেউ দাবী তুলছে সমস্ত উপদেষ্টাদের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি কত গভীরে, তা দুদক দিয়ে তদন্ত করে দেখা হোক। অন্যদিকে সমাজ মাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে হাসিনার সঙ্গে পুতিনের বৈঠক হয়েছে। এবং সেই বৈঠকের সময়কাল ১৭ মিনিট। পুতিন নাকি হাসিনাকে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন। ভারতে থাকতে কোন অসুবিধা হলে হাসিনা রাশিয়াতে গিয়েও থাকতে পারেন বলে খবর শোনা যায়। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়ছেন যে হাসিনা যতদিন চাইবেন ভারতে থাকতে পারবেন। হাসিনার সময়ে রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের যে সম্পর্ক তৈরী হয়েছিল, এখন তা প্রায় অতীত। রাশিয়ার তৈরী করতে থাকা পরমাণু বিদ্যুতের কাজ প্রায় বন্ধ, সরকার মদত পুষ্ট দূবৃত্তদের দ্বারা, এয়ারপোর্টের পরমাণু বিদ্যুত তৈরীর সরঞ্জামপূর্ণ অংশে আগুন।সব মিলিয়ে ইউনূসের উপর ক্ষুব্ধ রাশিয়া। ফলে রাশিয়া ভিতরে ভিতরে চেষ্টা করবে হাসিনা যাতে ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারে।
আবার বাংলাদেশের জাতীয় রাজনীতিতে ফিরে এসেছে ডিপ স্টেট। জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী পর্যায়ে হাসিনা সরকারের পতনের পর এসেছিল ডিপ স্টেটের...
Read more












Discussion about this post