বুঝি শেষ রক্ষা হল না এই জুলায়ের জালি সরকারের। জুলাই যে আসলে একটি বৃহৎ ষড়যন্ত্র, সেই সত্য প্রকাশ হয়ে যাচ্ছে ক্রমশ। আর দিনে দিনে মুখোশ থেকে বেরিয়ে আসছে ভয়ঙ্কর সব মুখ। সব কিছু নিয়মে না চালালে একটি ক্লাবও চালানো যায় না। সেখানে এত অনিয়ম নিয়ে ইউনূস কিভাবে দেশ চালাবেন। ইচ্ছা থাকলেই কি হয়। দেশ চালানোর জন্য রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রয়োজন। তাই বিদায় বেলায় তারেক রহমানকে দেশে এনে পালানোর রাস্তা খুঁজছেন তিনি। জুলায়ের শুরুতে প্রথম শহিদ আবুসইদকে মনে আছে, যাকে নিয়ে ইউনূস সাহেব দেশে বিদেশে বীরত্বের গল্প করেন। কিন্তু তার ভাই বলছে তদারকী সরকারের কেউ কোন দিন তার পরিবারের কোন খবর নেয়নি। তার কারণও অবশ্য আছে। আর সেটি হল আবু সইদের বাবা বলেছিলন তিনি ছেলের মৃতদেহ গোসল করানোর সময় মাথার পিছন দিকে রক্ত দেখেছিলেন। কিন্তু পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হলে তো পিছনে রক্ত থাকার কথা নয়। ফলে সত্যিটা বলে ফেলে,এই সরকারের বিষ নজরে পড়ে যায় আবুসইদের পরিবার। এর পর হাদির মৃত্যুকে নিয়ে যারা রাজনীতি করছেন, তাদের জন্যও খারাপ খবর হল হাদির ভাই ওমর বিন হাদি। যিনি কিন্তু সরকারের দিকেই আঙ্গুল তুলছেন।হাদির ভাই বুঝে গেছে তার দাদার হত্যাকারীর আসল পিছনে ষড়যন্ত্রকারী কারা। আসলে এই সরকার কি করবে তাই নিয়ে দিশেহারা। চিন পাকিস্তান আমেরিকা তুর্কি কার সঙ্গে কতটা বন্ধুত্ব করবে, আর ভারতের সঙ্গে কতটা শত্রুতা করবে তা বুঝে উঠতে পারছে না। ভারত থেকে চাল আলু পিঁয়াজ প্রয়োজন, আবার ভারত বিরোধীতাও প্রয়োজন। যারা উপদেষ্টা তাদের বলা হচ্ছে অযোগ্য যারা ভারত বিরোধীতা করছে তারা হচ্ছে যোগ্য। কিন্তু তারা কেউ পদে আসতে চায় না। তারা পিছন থেকে শুধু চাঁদা বাজি আর ভারত বিরোধীতা করতে চায়। ইউনূসের সরকারটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত লাশের উপর দাঁড়িয়ে। সেই আবু সাইদ মুগ্ধ কে দিয়ে শুরু। যাদের খুন করিয়ে জনগনকে উত্তেজিত করে, প্রশাসনের উপর হামলা করে প্রশাসনকে বাধ্য করেছিল নীরিহ জনগনের উপর গুলি চালাতে। তার পর তো কত পুলিশ এবং আওয়ামীলীগের কর্মী খুন হয়েছে তার কোন হিসাব নেই। এই কাজ যে সরকার করিয়েছে তা বুঝে গিয়েছিল হাদির দলের লোকজন। তাই তারা বলেছিল হাদির হত্যাকারীকে যেন এনকাউন্টার না করা হয়। তাকে জীবন্ত চেয়েছিল তারা। যাতে আসল সত্যিটা প্রকাশ পায়। তাই হাদির খুনি অধরাই থেকে যাবে। কিন্তু তাকে ধরার আগেই যেভাবে সব সত্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে,তাকে ধরা গেলে না জানি আরও কত ভয়ঙ্কর সব সত্য বেরিয়ে আসে। যে কারণে আসল অপরাধীকে ধরছে না সরকার। আর দোষ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে ভারত ও আওয়ামীলীগের উপর। এআই দিয়ে যা খুশি ছবি বানিয়ে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সমাজ মাধ্যমে। ফলে সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। কিন্তু হাদির ভাই বুঝে গেছে তার দাদার হত্যাকারীর পিছনে ষড়যন্ত্রকারী কারা।












Discussion about this post