কেউ বলতে পারেন, ইউনূস মহাজন কোথায়? তাঁকে শেষবার দেখা গিয়েছিল জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে। সেটা হাদি হত্যার পরে পরে। সেই শেষবার তাঁর কণ্ঠে বলতে শোনা গিয়েছিল ‘প্রিয় দেশোবাসী’। তারপর থেকে তিনি লাপাতা। বাংলাদেশে আছেন, না কি অন্য কোনও দেশে চলে গিয়েছে, কেউ ঠিকঠাক বলতে পারছে না। শেষবার তাঁকে দেখা গিয়েছিল হাদির শেষকৃত্যে। তিনি তাঁর গোয়ালঘরের তবে অনেকেই বলছে, দেশটাই যেখানে ঠিকঠাক নেই, সেই দেশের অবৈধ সরকার প্রধানকে কোন ঠিকানায় গেলে খুঁজে পাওয়া যাবে তার দরকারই বা কী আছে? আমরা সহ গোটা দুনিয়া জেনে গিয়েছে পদ্মাপারের রাজনীতিতে নক্ষত্রপতন হয়েছে। তিনি একটি টুইট করে তাঁর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এভার কেয়ার হাসপাতালে একবার তাঁকে দেখতেও যান। কিন্তু দেশে এতো কাণ্ড হয়ে গেল, তার কোনও খবর নেই। বাংলাদেশটা তাহলে চালাচ্ছে কে?
কে আবার? চালাচ্ছে তো জামাত আর জঙ্গিরা। গোটা বাংলাদেশকে দায়িত্বের সঙ্গে এই দুইয়ের কাছে উপহার হিসেবে তুলে দিয়েছেন ইউনূস। তাঁকে মদত দিয়েছে
পাকিস্তান। তাদের সেনাবাহিনীর বড়ো থেকে মেজ, সেজ কর্তারা এখন মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশ চলে যান। কিছুদিন থেকে ভালো-মন্দ খেয়ে আবার পাকিস্তানে ফিরে আসে।
শুধু কি তারা? সে দেশে শুরু হয়েছে মাসুদ আজহার, সইফুল্লা কাসরির মতো নেতাদের আসা যাওয়া। তারাও সেখানে কিছুদিন কাটিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে নাশকতার ছক তৈরি করে, সেটা কার্যকর করে ফিরে আসে। তবে এবার তাদের খেলা শেষ হতে চলেছে। কারণ, মাঠে নেমেছেন অজিত ডোভাল। আর তাতেই ঠক ঠক করে কাঁপছেন ইউনূস অ্যান্ড হিজ কোম্পানি।
বাংলাদেশে নিঃশব্দে চলছে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অপারেশন। সেটা এতটাই নিঃশব্দে যে না তদারকি সরকার বুঝতে পারছে না তার সেনাবাহিনী। গোটা পরিকল্পনা জেমস বন্ডের। সূত্রের খবর, এই নিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির বিষয়ে নমোকে অবগত করিয়েছেন। নমোকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে এই নিঃশব্দে অপারেশন না চালালে আগামীদিনে ভারতের বিপদ আরও বাড়বে। প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি ভেবে দেখে ডোভালকে গ্রিন সিগন্যাল দেন।
ঠিক কয়েক মাস আগে বাংলাদেশের পরিস্থিতি যখন রীতিমতো টালমাটাল সেই সময় পাকিস্তান থেকে পদ্মাপারে উড়ে যান সাহির সামসাদ মির্জা। গত জুনে পাকিস্তান সফরে আসেন সে দেশের তিন ব্রিগেডিয়ার। তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কক্সবাজারের রামুতে অবস্থিত ১০ম পদাতিক ডিভিশনের সদর দফতর পরিদর্শন করেন।গত ৯ অক্টোবর পাকিস্তান নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল নাভিদ আশরাফ তিন দিনের সফরে ঢাকা গিয়েছিলেন।
গত বছর ৫ অগাস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে পদ্মাপারে ঘটে গিয়েছে একের পর এক ঘটনা। নভেম্বরে করাচি থেকে একটি পণ্যবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। বলা হচ্ছে, মুক্তিযুদ্ধের পর করাচি থেকে ওই প্রথম সরাসরি চট্টগ্রামে নোঙর করে প্রথম কোনও জাহাজ। এই সব কিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে সাম্প্রতিক একটি ঘটনা। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া জঙ্গিদের সে দেশের বাহিনীতে থাকা পাকিস্তানপন্থী সেনারা তাদের প্রশিক্ষণ দেবে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে ভারতীয় গোয়েন্দাদের কানে এই খবর পৌঁছেছে। সেই খবর চলে গিয়েছে জেমস বন্ডের কারণে। সে কারণে তিনি বাংলাদেশজুড়ে নিঃশব্দে অপারেশ চালিয়ে এই সব জঙ্গিদের সমূলে বিনাশ করতে পদক্ষেপ করেছেন। আর তাতে ইউনূসের বিপদ আরও বাড়ল।












Discussion about this post